একনজরে পেগাসাস স্পাইওয়্যার

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২১, ১৭:২৪

ইজরায়েলি এই স্পাইওয়্যার ফোনে আড়ি পাতা, হ্যাক করার কাজে ব্যবহার হয়। একটি সন্দেহজনক মেসেজ পাওয়ার পর ২০১৬ সালে প্রথমবার আরবের এক আন্দোলনকারী এই প্রযুক্তির কথা প্রকাশ্যে আনেন।

আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড— দুই অপারেটিং সিস্টেমেই সিঁধ কাটতে সক্ষম পেগাসাস। যদিও, অ্যাপল পরে নতুন আপডেট এনে সেই ফাঁক বন্ধ করে দেয়। অ্যান্ড্রয়েডও সিকিওরিটি প্যাচ দিয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেছে।

এই স্পাইওয়্যার এতটাই নিখুঁতভাবে ফোনের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে যে, ব্যবহারকারী কিছু টেরই পান না। হ্যাকার প্রথমে একটি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক পাঠায় ‘টার্গেট’কে। সেই লিঙ্কে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফোনে ডাউনলোড হয়ে যায় পেগাসাস। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের ভয়েস কল, এমনকী মিসড কলের মাধ্যমেও এই স্পাইওয়্যার ফোনে ঢুকতে পারে। ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার পর এই স্পাইওয়্যার নিজেই কল লগ মুছে দেয়। যাতে ওই মিস কলের বিষয়ে ফোনের মালিক জানতেই না পারেন।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, হোয়াটসঅ্যাপের এনক্রিপ্টেড চ্যাট থেকে শুরু করে মেসেজ, কল লগ, বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য, লোকেশন ডেটা, ক্যামেরার তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ফোনালাপও শুনতে পারে পেগাসাস।

২০১৯ সালে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপে পেগাসাস-এর বিরুদ্ধে সরব হয়। ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে নজরদারি চালানোর অভিযোগে পেগাসাস-এর নির্মাতা এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলাও করে তারা।

পেগাসাস-এর অস্তিত্ব স্বীকার করলেও এর অপব্যবহারের অভিযোগ মানতে রাজি হয়নি এনএসও গ্রুপ। তাদের দাবি, যেহেতু এই প্রযুক্তি শুধু সরকারগুলিকেই দেওয়া হয়, তাই এর বেআইনি ব্যবহার হওয়া সম্ভব নয়।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ