আজকের শিরোনাম :

বাবরের সেঞ্চুরি ও রিজওয়ান তাণ্ডবে ইংল্যান্ডকে ১০ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৩

টি-টোয়েন্টিতে ১৯৯ রান কোনোভাবেই কম নয়। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানকে সেই চ্যালেঞ্চই ছুড়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে বাবর আজমের সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের হার না মানা ইনিংসে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ টপকে গেছে স্বাগতিকরা।

করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এ নিয়ে ৭ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা আসল। প্রথম খেলায় স্বাগতিকদের হারিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল সফরকারীরা।

২০০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সাবধানী করেন বাবর ও রিজওয়ান। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে খোলস ছেড়ে বের হন তারা। পথিমধ্যে দুজনই ফিফটি তুলে নেন।

এ অবস্থায় জয়ের জন্য প্রতি ওভারে দরকার হয় প্রায় ১২ করে রান। মূলত এরপরই বাবর ও রিজওয়ানের ব্যাটে টর্নেডো ওঠে। তাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ। এতে জয়ের পথে এগোতে থাকে পাকিস্তান।

ইতোমধ্যে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন বাবর। সেই পথেই হাঁটছিলেন রিজওয়ান। কিন্তু রান ও বল কম থাকাই তা হয়ে ওঠেনি।

শেষ পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে পাকিস্তান। ৬৬ বলে ১১ চার ও ৫ ছক্কায় ১১০ রান করে অপরাজিত থাকেন বাবর। আর ৫১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৮ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন রিজওয়ান।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ডকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ফিল সল্ট ও অ্যালেক্স হেলস। উদ্বোধনী জুটিতে ৪২ রান করেন তারা। হেলসকে (২৬) ফিরিয়ে তাদের জুটি ভাঙেন শাহনেওয়াজ দাহানি।

ওয়ানডাউনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি ডেভিড মালান। দাহানির দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। রানের খাতায় খুলতে পারেননি ইংলিশ টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট ব্যাটার। পরে সল্টকে নিয়ে ঝড় তোলেন বেন ডাকেট। তাতে ইংল্যান্ডের রানের চাকা বনবন করে ঘুরে।

দলীয় ৯৫ রানে সল্টকে (৩০) তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে স্বস্তি এনে দেন হারিস রউফ। পরক্ষণেই ডাকেটকে (৪৩) বিদায় করেন মোহাম্মদ নওয়াজ। তবে পাকিস্তানের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি।

পরে হ্যারি ব্রুকের সঙ্গে জুটি বেঁধে তাণ্ডব চালান মঈন আলি। দুজনেই স্ট্রোকের ফুলঝুরি সাজান। এতে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। শেষদিকে রউফের শিকার হয়ে ফেরন ব্রুক (৩১)।

তবে শেষ পর্যন্ত ফিফটি তুলে নেন মঈন।  ২৩ বলে সমান ৪টি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। অপর প্রান্তে ১০ রানে টিকে থাকেন স্যাম কুরান। এতে ৫ উইকেটে ১৯৯ রানের পুঁজি পায় মঈন বাহিনী।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ