বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৬

বন্যা মোকাবিলায় সবকিছু নিয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে বন্যা মোকাবিলায় জনগণের পাশে থাকতে হবে। এর জন্য যা প্রয়োজন, তা যেন আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়।

আজ সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভায় যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব সাংবাদিকদের জানান, বন্যায় পানির উচ্চতা বিভিন্ন জায়গায় বেড়েছে। বিশেষ করে যমুনা ও পদ্মার অববাহিকায় পানি বেড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিশ্চিত করেছেন তাদের কী কী প্রোগ্রাম আছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয় বন্যা-প্লাবন এলাকাগুলোতে স্কুল-কলেজ ব্যবহার করা যায়, সেজন্য শিক্ষামন্ত্রী গতকালই (রবিবার) নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন।’

তিনি জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন, যে এলাকায় পানির বেশি ইফেক্ট হয় বিশেষ করে গোয়ালন্দের পরে যমুনা ও পদ্মা এক সঙ্গে হয়েছে, এর ডাউনে একটু ইফেক্ট বেশি হয়। এজন্য এসব এলাকায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। কোনও এলাকায় যদি ভাদ্র মাসে পানি আসে, আর বঙ্গোপসাগরে যদি জোয়ার থাকে, তাহলে পানি নামতে দেরি হয়। সেক্ষেত্রে আমন চাষে যদি কোনও অসুবিধা হয়, তাহলে ‘টি-আমন জালা’ প্রস্তুত রাখতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান কেবিনেট সচিব।

তিনি আরও জানান, চলমান বন্যায় আমন আবাদে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যথাযথ প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি অসুবিধা হবে না। সভায় কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ৬০ লাখ একর আমন চাষের কথা থাকলেও ৫৭ লাখ একর জমিতে আমন চাষ ইতোমধ্যে হয়ে গেছে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড থেকে নতুন ধরনের ক্রাফট (নৌযান) বানানো হয়েছে। সেই ক্রাফটগুলোতে যারা অটিস্টিকস তারা যেন উঠতে পারেন, সেই ধরনের সিস্টেম রাখা হয়েছে। বন্যাপ্রবণ ৬টি জেলায় ইতোমধ্যে নৌযানগুলো দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm