মোংলা বন্দর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চারণ ভূমি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:১৫

মোংলা সমুদ্রবন্দরকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চারণ ভূমি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার।

রবিবার (২২ জানুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)এর আয়োজনে বাগেরহাটের মোংলায় বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিকদের দুইদিনব্যাপী অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ ঘটলেও মোংলা এলাকাতে এখনও এর বিকাশ ঘটেনি। এখানে তথ্য প্রযুক্তি বিকাশ ঘটালে পারলে প্রতিবেদন তৈরি করতে কোন বেগ পেতে হবেনা। এমনকি সমুদ্র বন্দর,সুন্দরবন ,লবণ ও চিংড়ি চাষীসহ অসংখ্য প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবে সহজে। উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হবেনা,ততদিন আমরা উন্নত জাতিতে পরিণত হতে পারবো না।

তবে এর জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোংলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ ইকবাল বলেন,ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং এমন একটি বিষয় যা সমাজের অনাচার দূর করতে অনেকটা সহায়তা করে। অনুষ্ঠানে সভা প্রধানের বক্তব্যে পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন,বর্তমান যুগ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন,পরিবর্ধন ও সংযোজন হচ্ছে। এরসাথে টিকে থাকতে হলে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষিত হতে হবে। দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই বলে মতপ্রকাশ করেন তিনি। পিআইবি’র মহাপরিচালক বলেন,সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশে সরকারি অর্থায়নে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে খাঁপ-খাইয়ে চলতে ডাটা,ড্রোন ও রোবোটিকসের ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেন। এছাড়া তিনি পাঠক,দর্শক ও শ্রোতার কথা মাথায় রেখে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার উৎকর্ষতা নিয়ে কথা বলেন। জাফর ওয়াজেদ বলেন, অজানা তথ্য যা কউে প্রকাশ করতে চায় না সাংবাদকিরা সইে রহস্যরে পিআইবির সহকারী প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দীন নিপুনের সমন্বয়ে প্রশিক্ষণে মোট ৩৫জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম।

 

এবিএন/ অসীম রায়/জাসিম/এম.এম.নাজমুল হাসান

এই বিভাগের আরো সংবাদ