সংক্রমণের হার ২০ শতাংশের ওপরে, ‘অশুভ ইঙ্গিত’ দেখছেন স্বাস্থ্যের ডিজি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:১১ | আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:০৫

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারাকে ‘অশুভ ইঙ্গিত’ বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

আজ সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে দেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিশেষ এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ আগের তুলনায় বাড়লেও এখনো ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। আইইডিসিআর (সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীই ৮০ শতাংশ।

খুরশীদ আলম বলেন, রাজধানী ঢাকায় ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। সে তুলনায় অন্যান্য বিভাগে কম। ফলে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধিসহ সরকারি ১১ দফা নির্দেশনা মেনে না চললে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেক্ষেত্রে ১১ দফা মানাতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়েরও সহযোগিতা দরকার।

সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জনসমাগম বন্ধ করতে হবে। মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক বিধি মেনে চলতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে দ্রুততার সঙ্গে টিকা নিতে হবে।

আমরা বয়স্ক ও ফ্রন্টলাইনারদের বুস্টার ডোজের টিকা দিচ্ছি। বুস্টার ডোজের বয়সসীমা ৫০ বছর করা হয়েছে। টিকা কার্যক্রমকে বেগবান করতে আমরা আরও পদক্ষেপ নিয়েছি।

কনফারেন্সে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, শুধু পরীক্ষা ও শনাক্ত করলেই চলবে না। রাজধানীসহ সারাদেশে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে বহু মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করছে। এতে করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের এনআইডি বা জন্মসনদ নেই তারাও কেন্দ্রে এসে কাগজে নাম লিখে টিকা নিতে পারবেন। তাদের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন নেই। শিক্ষার্থীদের টিকাদান চলছে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই এমন ১২-১৭ বছর বয়সীদের স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে খুঁজে টিকার আওতায় আনা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, শুধু পরীক্ষা ও শনাক্ত করলেই চলবে না। রাজধানীসহ সারাদেশে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে বহু মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করছে। এতে করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে না চললে সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি আরও বাড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

 

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ