আজকের শিরোনাম :

প্রয়োজনে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত : বাণিজ্যমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২২, ১৩:৪০ | আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২২, ১৫:২১

দাম কমানোর স্বার্থে প্রয়োজন হলে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। 

আজ বুধবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রেস ব্রিফিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। 

ডিমের যে দাম বেড়েছে তা অস্বাভাবিক, এ পরিস্থিতিতে আমদানির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিম আমদানি করতে গেলে তো একটু সময় তো লাগবে। আমরা একটু দেখি। যদি এমনটাই হয় সত্যি যে ডিম আমদানি করলে পরে এটা কমবে, তাহলে আমরা আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবো। 

তিনি বলেন, আমরা কৃষি, মৎস্যসহ কয়েকটা মন্ত্রণালয় মিলে কীভাবে ডিমের দাম কমানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করব। তবে সবকিছু কিন্তু রাতারাতি করা সম্ভব না।

বাজারে সব নিত্যপণ্যের দাম বেশি। সরকার মানুষের দুর্ভোগ লাগবে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে- জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা সত্যি কথা বলছেন। আমরা দেখছি, সব যে আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কন্ট্রোল করি তা নয়। সব ব্যাপারে আপনাদের বুঝাতে পারব, তাও নয়। কিন্তু আমার যেটা কথা, এগুলো একটা হঠাৎ করে সুযোগ কেউ নিয়েছে। যে পরিমাণ বাড়ার কথা এর চেয়ে অনেক বেশি সুযোগ নিয়েছে, এটা সত্যি কথা। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, যে যে মন্ত্রণালয়ে সেখান থেকে চেষ্টা করা দরকার। ডলার দেখলেন হঠাৎ কত বেশি, সেটিও কিন্তু চেষ্টা করা হচ্ছে। একটু বোধহয় কমছে।

টিপু মুনশি বলেন, আমার কাছে হিসাব আছে, তেলের দাম বাড়ার কারণে চালের দাম কেজিতে বড়জোর ৫০ পয়সা বাড়তে পারে, কিন্তু ৪ টাকা বেড়ে গেছে। কোনো লজিক আছে? তার মানে সুযোগটা নিয়ে নিয়েছে।

তিনি বলেন, দেখেন মানুষ কত কায়দাবাজি করে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চন্দ্রা নামের একটা জায়গা আছে। দূরত্ব ধরেন ১৫ কিলোমিটার, ভাড়া নির্ধারণ করা হলো প্রতি কিলোমিটার ৩০ বা ৪০ পয়সা। সেখানে কী সুযোগ নিয়েছে? ওই ১৫ কিলোমিটার যেটা জেনুইন গত ৩০-৫০ বছর ধরে...জায়গার মাপ তো আগে পিছে করা যাবে না, যা দূরত্ব তাই। কিন্তু ভাড়া হিসাব করার সময় ওটা ৪ কিলোমিটার বাড়িয়ে দিয়ে করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এ সুযোগ তো কেউ কেউ নিচ্ছেন। আমাদের একটু সময় দেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। আপনাদের যেমন বলতে হবে, কোথায় নিচ্ছে। আমাদের চোখ-কান খুলে দিতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

এবিএন/এসএ/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ