কর্মীদের বেতন বাড়াতে সময় চায় ব্যাংক মালিকরা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:৪৮

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া বেতন বিধি এখনই মানা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (বিএবি) সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সাথে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সাথে দেখা করেন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও ব্যাংক উদ্যোক্তা সংগঠন বিএবির নেতারা। আলোচনায় তারা বেতন বিধি, অদক্ষদের চাকরিচ্যুত না করাসহ অন্যান্য সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে আরো বিশদ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সময় চান তারা।

বৈঠকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছাড়াও ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম আর এফ হোসেনসহ কয়েকজন এমডি উপস্থিত ছিলেন।

বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। তবে, মার্চ মাস থেকেই বিজ্ঞপ্তির সিদ্ধান্ত মানা ব্যাংকের জন্য কঠিন। এতে করে, ব্যাংকারদের আর্থসামাজিক অবস্থা, ব্যাংকের ভারসাম্য সব বিষয় বিবেচনা করে বাস্তবায়ন করতে চাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও আমরা এ আবেদন জানিয়েছি।  এখনই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যাংকিং খাতে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বিএবি নেতারা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সময়বৃদ্ধির আবেদন করেছেন। এ আবেদন বিবেচনা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে কিছু গ্যাপ আছে এমন দাবীর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ব্যাখ্যা এবং প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র।

প্রসঙ্গত,  গত ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক এন্ট্রি পর্যায়ে বেসরকারি ব্যাংকের  শিক্ষানবিস কর্মীদের ২৮ হাজার টাকা ও শিক্ষানবিশকাল শেষে ৩৯ হাজার টাকা সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করে দেয়। পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ২৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই ব্যাংকের নির্বাহী ও উদ্যোক্তারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আসছিলেন।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ