কাপাসিয়ায় সনদ জালিয়াতির অভিযোগে অধ্যক্ষসহ গ্রেফতার ৩

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১৪:৫৯

অনিয়ম ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে কাপাসিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নামে রমনা থানায় মামলা হয়েছে। 

এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

গ্রেফতারকৃতরা হলো মোঃ আশরাফুল আলম, সে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বীর উজলী গ্রামের জসীম উদ্দিন ছেলে। সে টোক নগর দারুল হাদিস আলীম মাদ্রাসা বাংলা বিভাগের  সহকারী অধ্যাপক। 

স্বপন ব্যানার্জী, সে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা টোক নয়ন বাজার গ্রামের শীল ব্যানার্জির ছেলে। সে ময়মনসিংহ জেলার ধাতর বাজার কলেজের প্রদর্শক। 

আ ন ম আব্দুল্লাহ, তিনি ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার টাংগাব গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে। সে কাপাসিয়া উপজেলার সোহাগপুর আলীম মাদরাসার প্রিন্সিপাল। 

এ মামলার পলাতক আসামী রয়েছে ৪। সুমন (৩৪। শিতা অজ্ঞাত, ঠিকানা- অজ্ঞাত, ৫। শাকিব আহমেদ (২৭), পিতা অজ্ঞাত, ঠিকানা অজ্ঞাত, ৬। আব্দুস সালাম (৫৮), পিতা অজ্ঞাত। তিনি কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। 

গত সোমবার বিকাল ৪টায় কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কে এম লুৎফুর রহমান বলেন, জাল জালিয়াতির অভিযোগে  কাপাসিয়ার এক প্রিন্সিপালসহ তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। 

তিনি বলেন, আমি অভিযোগে দেখেছি, এ মামলায় ৬ জন আসামি রয়েছে। এ তিনজনের ঠিকানা অজ্ঞাত রয়েছে। 

আসামি আব্দুস সালাম কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কিনা জানতে চাইলে বলেন, নামের পাশে ঠিকানা অজ্ঞাত লেখা থাকলেও এজাহারে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লেখা আছে। 

মামলার বাদী মোঃ নয়ন মিয়া (৩১) এজাহারে (৫ জুলাই)  উল্লেখ করেন, আমি পেশায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আমি গোপন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি, একটি জালিয়াতি চক্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ জাল করে বিভিন্ন স্কুলে অবৈধ ও ভূয়া নিয়োগ বানিজ্য করছে। প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এনটিআরসি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ২০১৬ সালের পূর্বে নিয়োগ দেখিয়ে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে। কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কতিপয় অফিসারদের সহযোগীতায় অনিয়ম ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করে। তাহাদেরকে মোটা অংকের বিনিময়ে এমপিও ভুক্ত করিয়া আসিতেছে। বিষয়টি এনটিভারসি এর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা সাপেক্ষে পর গত ০২/০৭/২০২৪ তারিখে ডিবি (ডিএমপি) বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগটি আমলে নেয় ডিবি পুলিশ  গত ০৪/০৭/২০২৪ তারিখ বিকাল অনুমান ৪.৩০ টায় রমনা মডেল থানার বেইলী রোডের ফখরুদ্দিন হোটেলের সামনে ফুটপাতের উপর হইতে ১,২ ও ৩ আসামীকে আটক করে। 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শাহ জাহান  বলেন, (সোমবার) ছুটির দিন। এ বিষয়ে জেনে আগামীকাল বিস্তারিত জানানো হবে। 

ঢাকা রমনা থানার ওসি বলেন, আমি এখন থানার বাইরে। কোটা আন্দোলন নিয়ে ব্যস্ত। পরে ফোন দিলে বিস্তারিত জানানো হবে।

এবিএন/নূরুল আমীন সিকদার/জসিম/গালিব

এই বিভাগের আরো সংবাদ