টাঙ্গাইলে ২০ একর ইরি আবাদ অনিশ্চিত, বিপাকে চাষীরা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:৫৮

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বড়শিলা গ্রামের একটি ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২০ একর জমির ইরি আবাদ অনিশ্চিত হয়ে বিপাকে পড়েছে চাষীরা।

এ বিষয়ে মো. কামরুল হাসান বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি উপজেলা সেচ কমিটি, টাঙ্গাইল বরাবর বৈধ অগভীর নলকূপ স্কীমের আওতায় অবৈধভাবে অগভীর নলকূপ উচ্ছেদের জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব আশিক জামানকে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর পূর্বে বড়শিলা মৌজার জনৈক মৃত দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি’র আওতায় ২০ একর জমিতে কৃষি সেচের জন্য একটি অগভীর নলকূপ স্থা পন করেন।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত তার ইরিস্কীমে সুচারুরূপে সেচ প্রদান করে আসছেন। সম্প্রতি দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তার ছেলে মো. কামরুল হাসান বিএডিসি থেকে ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের লাইসেন্স নবায়ন করে সেচ প্রকল্প চালিয়ে আসছিলেন।

ইতোমধ্যে, একই গ্রামের মৃত আবু সায়েদের ছেলে মিয়াচান একই মৌজার জনৈক চান মিয়া পূর্ববর্তী স্কীমে স্থাপিত অগভীর নলকূপের ৩০ গজের মধ্যে আরেকটি নলকূপ স্থাপনকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার প্রায় ২০ একর কৃষি জমির ইরি আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ওই স্কীমের স্থানীয় জমির মালিক জব্বার আলী, বুলু মাতাব্বর, আমজাদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা গত ৩০ বছর যাবত আমাদের স্কীমে কামরুলের বাবার অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ গ্রহণ করে আমাদের ইরি জমি আবাদ করছি। সম্প্রতি চান মিয়া অবৈধভাবে আরেকটি অগভীর নলকূপ স্থাপন করায় কামরুল ড্রেন পরিস্কার করতে বাঁধার সম্মুখীন হওয়ায় বীজতলায় সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারায় বীজতলার মাটি শুকিয়ে যাচ্ছে এবং এই মৌসুমে ওই স্কীমে ইরি আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব আশিক জামান, বিষয়টি এখনো আমি অবগত নই। যদি আমার কাছে কোন আবেদন আসে তবে সেচ কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

এবিএন/তারেক আহমেদ/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ