মির্জাপুর উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর তিনজনই জামানত হারালেন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:২২

টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের উপ-নির্বাচনে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৩ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। ১,০৪,০৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জহির ১৬,৭৭৩ ভোট।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, এ উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলায় ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। শতকরা ৩৬.৬৩ ভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কাস্টিং ভোটের সাড়ে ১২% এর কম পেলে তিনি জামানত হারান। যে হিসেবে তিনজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব চৌধুরী পাওয়ার (হাতুড়ি) ১০৪৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরু (মোটরগাড়ি কার) ২৪৩৬ ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী (ডাব) ৪৩৮ ভোট।

এদিকে এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ এনে ভোট গ্রহণের শেষ সময়ে গোলাম নওজব চৌধুরী পাওয়ার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থীও কারচুপির অভিযোগ করেছেন।

বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সরেজমিনে দেখা যায় সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটাররা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোট দেন। ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মধ্যে কৌতুহল কাজ করে। খন্দকার নুরুন্নবী (৮০) নামের এক ভোটার বলেন, আমি বানিয়ারা কেন্দ্রে সকালেই ভোট দিয়েছি। পরিবেশ অত্যন্ত ভালো।

বিজয়ী খান আহমেদ শুভ বলেন, আমি জননেত্রী শেখ হাসিনা, মির্জাপুরবাসী এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে স্বপ্নের মির্জাপুর গড়ার লক্ষ্যে কাজ করব।

শুভর বাবা একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি ১৯৭৩ সালে মির্জাপুরের এমপি এবং ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন পর আবার বাবার আসনে এমপি হলেন ছেলে। আওয়ামী লীগ ধরে রাখল আসনটি।

উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর এ আসনের টানা ৪ বারের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা যান। ৩০ নভেম্বর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (১৬ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণ হয়।

এবিএন/তারেক আহমেদ/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ