শোক দিবস পালন উপলক্ষে ঢাবির নানা কর্মসূচি গ্রহণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২২, ২১:৪২

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে বলে এতে জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-আগামী ১৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে সাতটায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের (ধানমন্ডি ৩২ নম্বর) উদ্দেশে যাত্রা এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।
এছাড়াও ওইদিন বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভার প্রারম্ভে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে।

একই দিন বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়াসহ প্রত্যেক হল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

এছাড়া সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র-টিএসসি’তে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানসহ ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং নীলক্ষেত হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

প্রতিযোগিতা ৩টি গ্রুপে যথাক্রমে ‘ক’ গ্রুপে শিশু-দ্বিতীয় শ্রেণি (বিষয় : উন্মুক্ত), ‘খ’ গ্রুপে তৃতীয়-ষষ্ঠ শ্রেণি (বিষয় : বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ) এবং ‘গ’ গ্রুপে ৭ম-দশম শ্রেণি (বিষয় : এসো গড়ি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা) অনুষ্ঠিত হবে। ছবি আঁকার মাধ্যম হিসেবে জলরঙসহ যে কোনো প্রকার রঙ ব্যবহার করা যাবে। ছবি আঁকার কাগজ কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করবে। অন্যান্য সকল উপকরণ (পেন্সিল, বোর্ড, রঙ, রঙের প্যালেট, পানির পাত্র ইত্যাদি) শিশুরা সঙ্গে নিয়ে আসবে। প্রতিযোগীদের বয়স বা শ্রেণি যাচাইয়ের জন্য স্কুলের পরিচয়পত্র অথবা পরিচয়পত্রের একটি সত্যায়িত কপি সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এবিএন/আব্দুর রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ