কাল থেকে বিধিনিষেধ, আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন বাইক চালকরা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২২, ১৭:৩৪

ঈদের আগে ও পরে সাতদিন এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেল চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এজন্য আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অনেকেই বাস-ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি, কেউ আবার বাড়তি খরচ থেকে বাঁচতে কেউ চুরি হওয়ার আশঙ্কায় মোটরসাইকেলে রওনা দিচ্ছেন।

আজ বুধবার (৬ জুলাই) ঢাকার অন্যতম প্রবেশপথ গাবতলী ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন গোলাম মোস্তফা। ঢাকা থেকে তার গন্তব্য গ্রামের বাড়ি যশোর। তিনি বলেন, যে বেতন-বোনাস পেয়েছি বউ-বাচ্চা নিয়ে বাড়ি তায়াতে ছয় হাজার টাকা ফুরিয়ে যাবে। তাই বসকে বলে আগেই মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেলে রাস্তায় মোটরসাইকেল ধরবে।

টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন বগুড়ার শাহীন। তিনি বলেন, ট্রেনের লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট পাইনি। আর বাসের থেকে মোটরসাইকেল জার্নি অনেক ভালো। তাই মোটরসাইকেলে করেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। 

শখের দামি মোটরসাইকেল গ্যারেজে চুরি হয়ে যেতে পারে এ আশঙ্কায় মোটরসাইকেল নিয়েই বাড়ি ছুটছেন যশোরের ব্যবসায়ী সৌমিক হক। তিনি বলেন বলেন, ইয়ামাহা আর১৫ মোটরসাইকেল সাড়ে চার লাখ টাকা দিয়ে কিনেছি। গ্যারেজে রাখলে চুরি হবে না এ নিশ্চয়তা কে দেবে। মোটরসাইকেল বন্ধ করায় দুদিন আগেই বাড়ি যাচ্ছি। তা না হলে ঈদ সামনে দোকানে আরও বেচাকেনা করতে পারতাম। এখন মোটরসাইকেল সামলাবো নাকি দোকান।

বাস মালিকদের খপ্পরে পড়ে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করা হয়েছে বলে ধারণা অনেকের। তাই ক্ষোভে বাস এড়িয়ে আগেই মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে একজন চুয়াডাঙ্গার যাত্রী পলাশ।

তিনি বলেন, সবাই কিন্তু মোটরসাইকেল শখে চালায় না। আমি ১০ বছর ধরে মোটরসাইকেল চালাই পেটের দায়ে। বাসচালকরা যাত্রী পাচ্ছেন না বলেই মোটরসাইকেল বন্ধ করা হয়েছে।

এবিএন/আব্দুর রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ