তপন কান্তি সরকারের নতুন বই ‘নতুন বিশ্বের নতুন ক্যারিয়ার’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৫৩

৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এই সময়ে আধুনিক দক্ষতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।নতুন বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে নতুন দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পুরনো দক্ষতা দিয়ে নতুন বিশ্বে চাকরি পাওয়া যাবে না। নতুন বিশ্বে টীকে থাকতে এবং নিজেকে আইটি বিপ্লবের একজন দক্ষ লোক হিসেবে গড়ে তুলে ধরতে যে যে দক্ষতা গুলো দরকার এবং আমাদের সামনে নতুন যে দিগন্ত উন্মোচন হচ্ছে সে সব দিক নির্দেশনা মূলক তথ্য দেশের  তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অন্যতম পথিকৃত তপন কান্তি সরকার তাঁর নতুন বই ‘নতুন বিশ্বের নতুন ক্যারিয়ার ৪র্থ শিল্প বিপ্লব’ বইতে এসব কথা তুলে ধরেছেন। 

বইটি প্রকাশ করেছে আহমদ পাবলিশিং হাউস।বইটিতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রয়োজনীয় ক্যারিয়ার গড়ার দিক নির্দেশনাসহ হাতে কলমে শেখার উপায় বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। লেখার সঙ্গে প্রয়োজনীয় নজরকাড়া ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে ২৭২ পৃষ্ঠার বইটি। বইটির গায়ের দাম ৫২৫টাকা। রকমারি ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করা যাবে  বইটি।
নতুন বই প্রসঙ্গে তপন কান্তি সরকার বলেন, ‘বইটি কোনো গতানুগতিক ধারার নয়। এখানে প্রয়োজনীয় তথ্যের সমন্বয় করা হয়েছে। সহজ সরল করে তথ্যপ্রযুক্তির নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে যা বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ার গড়তে কাজে লাগবে। এ ছাড়া চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রয়োজনীয় জ্ঞান লাভ করা যাবে। তরুণ জ্ঞানপিপাসু এবং ক্যারিয়ার গঠনের জন্য সবার বইটি কাজে আসবে।’

লেখক বলেছেন, ৪র্থ শিল্পবিপ্লব ধেয়ে আসছে আমাদের দিকে। গতানুগতিক শিক্ষা ও কর্মপন্থা এর উপযোগী নয়। প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সঠিক শিক্ষা অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। তরুণদের ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে ভুমিকা রাখতে হবে। মহামারি পরিস্থিতি যেন তরুণদের হতাশ না করে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এসব বিষয়ের ভাবনা থেকে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি ‘নতুন বিশ্বের নতুন ক্যারিয়ার’ বইটি লিখেছেন। 

তপন কান্তি সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে পরিচিত মুখ। তিনি চার দশকের বেশি সময় ধরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি ২০১৪ সালে সরকারের তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা নির্বাচিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেন। তিনি, বেক্সিমকো, ফ্লোরা, আইএফআইসি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংকে সিটিও হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং ২০০৯ সাল থেকে সভাপতি হিসেবে সংগঠনটিকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ