পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে ইংল্যান্ড নাকি ক্রোয়েশিয়া

ঢাকা, ১১ জুলাই, এবিনিউজ : রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশ রাত ১২ টায় মস্কোর লুজিনিকি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ক্রোয়েশিয়া।   

এরইমধ্যে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে দুই ইউরোপীয় ফুটবল শক্তির মধ্যে কোন দলটি এগিয়ে থাকবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক দুই দলের অতীত পরিসংখ্যান।

*রাশিয়া বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত ক্রোয়েশিয়া। ডি-গ্রুপে তিন ম্যাচই জিতে পুরো নয় পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বে ওঠে জ্লাতকো দালিচের দল। প্রতিপক্ষের জালে সাতবার বল জড়ানোর বিপরীতে নিজেরা হজম করেছে মাত্র একটি গোল।

* অন্যদিকে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে ওঠা ইংল্যান্ড বেলজিয়ামের বিপক্ষে গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ১-০ গোলে হারে।

* ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ আসরে ব্রিটিশদের একমাত্র শিরোপা অর্জন হয়।সেবার জয় এসেছিল তাদের ঘরের মাঠে।

* ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পর ছয়টি বিশ্বকাপের পাঁচটিতেই খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ক্রোয়েশিয়া। ১৯৯৮ বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অভিষেকেই শেষ চারে উঠেছিল তারা। ওই আসরের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে সেমিফাইনালে হারের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া জয় পায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এটাই বিশ্বমঞ্চে দেশটির সেরা পারফরম্যান্স।  

* ১৯৯০-র পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ চারে উঠেছে ইংল্যান্ড। সেবার সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা।

* চলতি টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের করা ১১টি গোলের আটটিই এসেছে পেনাল্টিসহ সেটপিস থেকে। এক বিশ্বকাপে সেটপিস থেকে এরচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড নেই কোনো দলের। ১৯৬৬-র আসরে পর্তুগালও সেটপিস থেকে আটটি গোল করেছিল। রেকর্ডটা এককভাবে নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কেন-রাহিম স্টার্লিংদের।

* বিশ্বকাপে এর আগে কখনই ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়নি ক্রোয়েশিয়া। আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্টে দু’দলের একমাত্র সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০০৪ ইউরোয়। সেবার ৪-২ গোলে ইংলিশদের পরাস্ত করে ক্রোটরা। সব মিলিয়ে দু’দলের দেখা হয়েছে সাতবার। চার জয় নিয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়ার জয় দুটি। ১৯৯৬ সালে দু’দলের প্রথম ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি