ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভুটানকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দল

সন্ধ্যায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:২৬ | আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৩২

সাদা পোশাক ছেড়ে এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে রঙিন পোশাকের ম্যাচ। ফরম্যাট বদলালেও চ্যালেঞ্জটা থাকছে আগের মতোই! রবিবার স্বাগতিকদের সামনে সেই আফগানিস্তানের স্পিন জুজু অপেক্ষা করছে। রশিদ খান-মুজিব উর রহমান-মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে গড়া স্পিন আক্রমণ মোকাবেলা করতে পারবে তো বাংলাদেশ? নাকি চট্টগ্রামের মতোই স্পিন জুজুতে পরাস্ত হবে সাকিবের দল।

আজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিরপুরের ২২ গজে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে গাজী টেলিভিশন।

শনিবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচেই পরিষ্কার হলো টি-টোয়েন্টিতে আফগানরা আরও উজ্জ্বল, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী। যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৮ ওভারে ১৪৬ রানের টার্গেট তাড়া করেই ধুঁকছিল বাংলাদেশ, সেই মাসাকাদজার দলের বিপক্ষে হেসে খেলে জিতল আফগানরা।

শুধু জিতলোই না। রীতিমতো জিম্বাবুয়ানদের উড়িয়ে দিল রশিদ খানের দল। ম্যাচের একটি ছোট পরিসংখ্যানই বলে দেবে আফগানদের আধিপত্য কতটা প্রবল ছিল। ১৫ ওভার শেষে তাদের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০৯। আর ২০ ওভার শেষে রান গিয়ে ঠেকল ১৯৭-এ। মানে শেষ ৫ ওভারে ৮৮, স্ট্রাইকরেট আড়াইশর ওপরে।

এর মধ্যে ১৭ নম্বর ওভারের তৃতীয় বল থেকে ১৮ নম্বর ওভারের তৃতীয় ডেলিভারি পর্যন্ত ৭ বলে পরপর ৭ ছক্কায় আসে ৪২ রান। যার ২৪ তুলে নেন মোহাম্মদ নবী (টেন্ডাই চাতারার বলে পরপর ৪ ছক্কায়)। আর ঠিক পরের ওভারে নাজিবউল্লাহ জাদরান টানা ৩ বলে ৩ ছক্কা হাঁকান আরেক পেসার নেভিল মাদজিভাকে।

নাজিবউল্লাহ জাদরান ২৩০.০০ স্ট্রাইকরেটে ৩০ বলে ৬৯ (পাঁচ বাউন্ডারি আর ছয় ছক্কা), অন্যদিকে মোহামামদ নবীর ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস (২১১.১১ স্ট্রাইকরেটে)।

এই উজ্জীবিত আফগানদের সঙ্গে কতটা কুলিয়ে উঠতে পারবে সাকিবের দল? জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরুর বোলিং আর ব্যাটিংয়ে আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ব্যাটিংটা বাদ দিলে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরমেন্স ছিল সাদামাটা। অমন পারফরমেন্স নিয়ে রশিদ খান বাহিনীর সঙ্গে কুলিয়ে ওঠা কঠিন।

টপ অর্ডারে সৌম্য, লিটন, সাকিব কেউ রান পাননি। মিডল অর্ডারে মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ আর সাব্বিরের ব্যাটেও রান খরা। যা করার করেছেন আফিফ ও মোসাদ্দেক। এই দুজনার একটি পার্টনারশিপ দিয়ে আফগানদের সাখে পেরে ওঠা খুব কঠিন হবে। কারণ আফগানদের বোলিং অনেক বেশি ধারালো, বৈচিত্রও অনেক। স্পিন বোলিং ডিপার্টমেন্টটা অনেক বেশি সমৃদ্ধ ।

আবার ব্যাটিংয়ও আফগানদের আছে পাওয়ার ও পিঞ্চ হিটিংয়ের বাড়তি ক্ষমতা। ভাল ও সমীহ জাগানো বলকেও ‘দুম’ করে ছক্কা হাঁকানোর সামর্থ আছে আফগানদের। তাই আফগানদের হারাতে দরকার ব্যাটিং ও বোলিংয়ে উন্নতি। সাকিবের দল কি সে উন্নতি ঘটাতে পারবে আজকের ম্যাচে?

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ