রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষে চিটাগং

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১৭:৪৩

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে শুরু থেকেই উড়ছে চিটাগং ভাইকিংস। আগের ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে জেতা দলটি দুই ম্যাচ কম খেলেও ঢাকার সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে ছিল দুইয়ে। বুধবার জিতে শীর্ষে উঠেছে ভাইকিংসরা। টেবিলের শীর্ষে থেকেই তারা ঘরে যাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট-ঢাকা ঘুরে বিপিএলের যাত্রা এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।

প্রথমে ব্যাট করে চিটাগংকে ১৫৮ রানের টার্গেট দেয় রাজশাহী কিংস। দুই অপরাজিত ইনিংস মুশফিকুর রহিমের ৬৪ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪৩ রানে ভর করে দুই বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় ভাইকিংসরা।

সাত ম্যাচের ছয়টিতে জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে একনম্বরে চিটাগং ভাইকিংস। আট ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে ঢাকা ডায়নামাইটস। সমানসংখ্যক ম্যাচে সমান ১০ পয়েন্ট থাকলেও রানরেটে পিছিয়ে তিনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। আট ম্যাচে আট পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ চারের অন্য দল মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার রংপুর রাইডার্স।

রাজশাহীর মতো শুরুটা মনের মতো হয়নি ভাইকিংসেও। স্কোরবোর্ডে ৬ রান উঠতেই ফেরেন ক্যামরন ডেলপোর্ট (১)। সাউথ আফ্রিকান এই ব্যাটসম্যানকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ।

ডেলপোর্টের পর ভাইকিংসদের পরের তিন ব্যাটসম্যানও ফেরেন রাজশাহীর স্পিন ফাঁদে পড়ে। তিনজনকেই তুলে নেন আরাফাত সানি। প্রথমে ৩ রান করা ইয়াসির আলিকে ক্যাচ বানান জাকির হোসেনের হাতে। এরপর ২৫ রান করা মোহাম্মদ শাহজাদ ফেরেন সৌম্যর হাতে ক্যাচ দিয়ে।

৩০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে, তখন এই ম্যাচে সানাকার বদলে দলে আসা নাজিবুল্লাহ জাদরানকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ১৯ বলে ২৩ রান করে ক্রিস্টিয়ান জোঙ্কারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আফগান তারকা।

অন্যরা যখন নিয়মিত বিরতিতে সাজঘরে ফিরেছেন, তখন একপ্রান্তে জমে থাকেন মুশফিক। স্কোরবোর্ডেও ঠিকমতো চোখ রাখেন অধিনায়ক। একই সাথে যোগ্য সঙ্গী হিসেবে পান মোসাদ্দেক হোসেনকে। দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর সঙ্গে ৩৯ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক।

শেষ তিন ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ২৬ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের করা ১৮তম ওভারে ১২ রান নিয়ে ম্যাচ সহজ করে ফেলেন মুশফিজ ও মোসাদ্দেক। যদিও ওভারের শেষ বলে মুশফিকের ক্যাচ নিতে পারেননি জোঙ্কার। তার হাত ফঁসকে ছয় রানের জন্য বল চলে বাউন্ডারি বাইরে।

শেষ পর্যন্ত দুই বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় চিটাগং। ৪৬ বলে ছয়টি চার ও দুই ছক্কায় ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। খুব একটা কম যানি মোসাদ্দেকও। শেষ বলে চার মেরে দল জেতানো মোসাদ্দেক ২৬ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। চারটি চার ও দুই ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food