মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি বাড়াতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  ইউএনবি

১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১২:২৭ | আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি আমদানিনির্ভর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করার জন্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মধ্যপ্রাচ্যের নয়টি দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগ ও রপ্তানির ক্ষেত্রে কোন দেশে কোন পণ্য এবং কি পরিমাণ চাহিদা রয়েছে তা আপনাদের জানতে হবে। সে অনুযায়ী আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কাজ করতে হবে।’

সোমবার শাংগ্রিলা হোটেলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্মেলনে অংশ নেয়া রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে ছিলেন- সৌদি আরবের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান, বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) কে এম মমিনুর রহমান, ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গাউসুল আজম সরকার, ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এম এম ফরহাদ, কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম, লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার, ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার ও কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ।

সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

কোনো প্রবাসীকে বিদেশের মাটিতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, রাষ্ট্রদূতদের সেভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিটেন্সের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি চাকরি প্রত্যাশিরা যাতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার না হয় এবং বিদেশে যাওয়ার জন্য কাউকে যাতে বাড়তি ঠাকা দিতে না হয়। ‘এজন্য আমাদের সকলকেই কাজ করতে হবে। গ্রামঞ্চলে প্রচারণ বাড়াতে হবে।’

এক পর্যায়ে রাষ্ট্রদূতদেরকে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার করার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

সেই সাথে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতদের বিদেশি রাষ্ট্রগুলোতে ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে কর্মসূচি গ্রহণেন পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী ক্ষমতায়ন এবং সমুদ্র অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর জোর দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত আরেকটি বই ‘আমার দেখা নয়া চিন’ (দ্য নিউ চীন অ্যাজ আই স) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ