কৃষক লীগের সম্মেলনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১১:১৯ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩০

ফাইল ছবি
কৃষক লীগের জাতীয় সম্মেলনের মঞ্চে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে  সম্মেলন স্থলে পৌঁছান তিনি। আওয়ামী লীগ সভাপতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছলে মুহুর্মুহু স্লোগান আর করতালির শুভেচ্ছায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

দলীয় নেত্রীকে বরণ করে নেন কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা। মঞ্চে উঠে শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিনন্দনের জবাব দেন। 

প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের ব্যাজ পরিয়ে দেন কৃষক লীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ও সাংসদ শামীমা শাহরিয়ার।

‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই’, ‘কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ শীর্ষক তিনটি গানের পর পরিবেশন করা হবে কৃষকদের গ্রামীণ নৃত্য। পরে বায়ান্ন থেকে একাত্তর পর্যন্ত শহীদদের স্মরণে শোক প্রস্তাব থাকবে। এর পর সভাপতির স্বাগত ভাষণের পর সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করবেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

প্রধান অতিথির ভাষণের পর সম্মেলনের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠান শেষ হবে। দ্বিতীয় সেশন শুরু হবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দুপুরের খাবারের বিরতির পর। এই সেশনে থাকবেন শুধু কাউন্সিলরা।

প্রায় ৮ বছর পর কৃষক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর সংগঠনের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহারাওয়ার্দী উদ্যান পরিণত হয়েছে উৎসবের স্থান হিসেবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তো বটেই আশপাশে এলাকা সেজেছে বর্ণিল সাজে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যানার ফেস্টুনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা ঝকঝকে করে তোলা হয়েছে।

স্বাধীনতার স্মৃতিস্তম্ভ সংলগ্ন লেকের পূর্ব দিকের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে লম্বায় ৯০ ফুট আর প্রস্থে ৩০ ফুট মূল মঞ্চ করা হয়েছে। এর সামনে নয় ফুট প্রস্থ আর ৪২ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি মঞ্চ করা হচ্ছে।

মঞ্চের ডানপাশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বাম পাশে সাংবাদিকের জন্য আলাদা দুটি মঞ্চ। মঞ্চের সামনে অতিথিদের বসার জায়গা। এরপরই আগত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের স্থান। সেখানে ২০ হাজার পর্যন্ত চেয়ার বসানোর জায়গা আছে বলে জানান কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা ।

কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক রেজা রাইজিংবিডিকে জানান, ১০ হাজারের মত কাউন্সিলর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ডেলিগেটের কোনো হিসেব নেই।

দেশে কৃষির উন্নয়ন এবং কৃষকের স্বার্থ রক্ষার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ