মানুষের চলাচল ও যোগাযোগে উন্নতির চেষ্টা করছি: প্রধানমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৯:০৪ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩৯

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, এবিনিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের চলাচল ও যোগাযোগে যেন আরো উন্নতি হয় সেই চেষ্টা আমরা করছি। আমরা চাই মানুষ যেন স্বল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।

আজ গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলওয়ে ওভারপাস এবং জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কে নির্মিত ২৩টি সেতুর উদ্বোধন করে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু সেতু করার পর আমরা দ্রুত যানের জন্য একটি সড়কের পাশে আরেকটি লেন করে দিই সাধারণ মানুষের জন্য। অন্যান্য জায়গাতেও এসব করা হবে। তাহলে হাইওয়েতে বড় বড় যানগুলো চলবে আর পাশ দিয়ে সাধারণ মানুষের যানবাহন চলবে। সড়ক দুর্ঘটনার হার কমাতে এসব করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সব সময় একটা জিনিস মনে হয়। এদেশের মাুনষের সুখ সুবিধার জন্য যদি একটু ছোট কাজও করতে পারি তাহলে আমার আব্বার আত্মা তো অন্তত শান্তি পাবে। নিশ্চয়ই তিনি একটু স্বস্তি পাবেন। এটা আমার উপলব্ধি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে আমাকে চলতে হয়। আমার চলার পথ কখনোই খুব সহজ নয় আমি জানি। বারবার আমাকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু আমি পিছিয়ে যাইনি। আমি কখনো পিছিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করিনি। আমি দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যা যা করনীয় সেটাই করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ ক্ষেত্রে দেশবাসীসহ সকলের সহযোগিতা পাওয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন। এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরা সড়ক এবং সংযোগ সেতুগুলো করতে পারছি। এর ফলে আজকে শুধু বাংলাদেশ না, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের একটা দ্বার উন্মোচিত হল।

দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতার আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক সহযোগিতার কথাটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এই দক্ষিণ এশিয়ার উপআঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র তৈরি করেছি। এটা ‘সাসেক’ হিসেবে পরিচিত। এই সাসেকের আওতায় একটা উপআঞ্চলিক যোগাযোগ তৈরি করা যার মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের ব্যবসা বাণিজ্য উন্নতি হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে। সেই সাথে আমাদের উপআঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ না বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোরও উন্নতি হবে।

এই উন্নয়নের আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলের প্রত্যন্ত মানুষ পাবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের সকল কাজ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্য শেষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকলগুলোর উদ্ধোধন করেন শেখ হাসিনা। এর ফলে আর্থ সামাজিক উন্নয়নের দ্বারসহ আসন্ন ঈদ যাত্রায় স্বস্তির দ্বার উন্মোচিত হল

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ