পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি : ফখরুল 

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৪৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি । এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ উদঘাটন করতে এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত ।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে শাহাদতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, আমরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং দিনটিকে স্মরণ গোটা জাতিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করবার জন্য শপথ নেয়ার আহবান জানাচ্ছি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন,বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল ।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবলকে দুর্বল করতেই এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। এটি জাতির ইতিহাসের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। দিনটিকে স্মরণ করে দেশের জনগণকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শপথ নিতে হবে।

তিনি বলেন,বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সেনা তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ না হওয়ায় হত্যাকাণ্ডের ‘পেছনের নেপথ্য’রা চিহ্নিত হয়নি।

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের যে তদন্তগুলো হয়েছিল, সেই তদন্তগুলোর পূর্ণাঙ্গ কোনো তদন্ত এখনও জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষ করে সেনাবাহিনী যে তদন্ত করেছিল সেই তদন্ত এখনও পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবে জাতির সামনে প্রশ্ন থেকেই গেছে এই ভয়াবহ ঘটনার পেছনে মূল কারা ছিল, পরিকল্পনাকারী কারা ছিল, কারা লাভবান হয়েছে - এ বিষয়গুলো সেইভাবে উদঘাটিত হয়নি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ দিনটি আমাদের জন্য, জাতির জন্য কলঙ্কময় দিন। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ওপরে এই দিনে আঘাত করা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাদের দূর্বল করে দেয়া, তাদের মনোবলকে দূর্বল করে দেয়াই ছিল সেদিনের সেই বিদ্রোহের ও হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ। আমরা এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করতে চাই এবং ঘোষণা করতে বলি।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) রহুল আলম চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইবরাহিম বীর প্রতীক, কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন, কর্নেল (অব.) কামরুজ্জামান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, মেজর (অব.) মিজানুর রহমান, মেজর (অব.) সারোয়ার প্রমুখ।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food