‘মানুষকে বেশিদিন স্বৈরতন্ত্রের অধীনে রাখা যাবে না’ 

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:০২

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল বলেছেন, এদেশের মানুষকে বেশিদিন স্বৈরতন্ত্রের অধীনে রাখা যাবে না। আজ সোমবার সন্ধ্যায় সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকায় প্রচারিত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ড. কামাল বলেন, যতই অস্ত্র, অর্থ ব্যবহার করা হোক, জালিয়াতি করা হোক, এদেশে স্বৈরতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া যাবে না। মানুষকে বেশিদিন স্বৈরতন্ত্রের অধীনে রাখা যাবে না।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন আনবে তারা একদম অবাক হয়েছে দেখে, যে রেজাল্ট (ফল) বেরিয়েছে তাতে সরকার আবার তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসছে, আবার পাঁচ বছরের জন্য। সাতদিন আগেও দেশি বিদেশি কোনো পত্রপত্রিকা জনমত যাচাই করে কেউই বলেনি এ সরকার আবার নির্বাচিত হতে পারে।

ড. কামাল বলেন, বাংলাদেশে কখনো তৃতীয় টার্ম পায়নি এখন পর্যন্ত। আর ইনি (শেখ হাসিনা) তো একটার্ম করে পাঁচ বছর চালিয়েছে এটাও খুবই বিতর্কিত।

আমি সবাইকে বলেছি ৩০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করো আমরা মুক্ত হবো। মুক্ত হওয়া না। আমরা পুরোপুরি একই জিনিষের শিকার হচ্ছি। একটা স্বৈরতন্ত্রকে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা একদমই আকাঙ্খিত ছিল না বাংলাদেশের ৪৭ বছর পরে। আমি মনে করি এটা কল্পনা করা যায় না।

আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি উল্লেখ করে এই সংবিধান প্রণেতা বলেন, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা মোটেই পেলো না। তারা (আওয়ামী লীগ) প্রতারক। গোল্ড মেডেল পাওয়া উচিৎ প্রতারণার জন্য। আন্তর্জাতিকভাবে যদি কোনো গোল্ড মেডেল পাওয়া যায় তাহলে প্রতারণার জন্য এ সরকারকে পাওয়া উচিৎ। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, আগের রাতে ভোট কাস্ট হয়ে গেছে। 

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ