স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জয় হবে : শেখ হাসিনা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৩৬ | আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:৪৯

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি সব সময়ই আশাবাদী। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমার বিশ্বাস, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জয় হবে। স্বাধীনতার পক্ষের জয় হবে। উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখার জন্য নৌকা মার্কার ভোট দেবে। আমি জানি, বাংলার জনগণ আমাদের বেছে নেবে। নৌকার জয় হবেই হবে।

আজ রবিবার সকালে ঢাকার সিটি কলেজ কেন্দ্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

জয়ের বিষয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী । কারণ আমার জনগণের প্রতি বিশ্বাস আছে।’

ফলাফল মেনে নেবেন কি না জানতে চাইলে শেখ হাসিনার জবাব, ‘অবশ্যই মেনে নেব। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। জনগণকে বিশ্বাস করি। জনগণ যে রায় দেবে মেনে নেব।’

বিএনপির বিরুদ্ধে ভোট ঘিরে সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক যে, গতকালও আমাদের ৪ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। একই কায়দায় কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ কয়দিনের সহিংসতায় আমাদের প্রায় ১০ জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন। নোয়াখালীতে বিএনপি প্রার্থীর নেতৃত্বে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়েছে।’

প্রার্থীদের সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সহিংসতা চাই না। শান্তিপূর্ণভাবে মানুষ ভোট দেবে। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। আমি মনে করি নৌকার জয় হবেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে যেই দলই ক্ষমতায় আসুক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে দুই আঙুল তুলে বিজয়ের চিহ্ন দেখান শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়েমা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল তার সঙ্গে ছিলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটপর্ব আজ রোববার সকাল ৮টায় একযোগে শুরু হয়েছে। বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। ৩০০ আসনের মধ্যে একজন প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে ২৭ জানুয়ারি।

২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা দুবার জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও মহাজোট। এবার টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার জন্য লড়ছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে এক দশক পর জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ধারণা করা হচ্ছে, ভোটারদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে এ দুই জোটের প্রার্থীরা।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food