‘প্রতিহিংসার কারণে বেগম জিয়ার কারাগারে আদালত স্থানান্তর’

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫০ | আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৮

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার প্রধানের অদম্য প্রতিহিংসা দ্রুত চরিতার্থ করতেই বেগম খালেদা জিয়ার জন্য কারাগারে আদালত স্থানান্তর করা হয়েছে।

আজ ০৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আদালত স্থানান্তর অসাংবিধানিক, ন্যাক্কারজনক। সরকার আইনকানুনের কোনো ধার ধারছে না। আদালতকে বন্দী করা হয়েছে কারাগারে। যেমন দেশের বিপুল জনসমর্থিত নেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখে গণতন্ত্রকেই বন্দী করে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশ্য দু’টি, একের পর এক মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে সাজার স্তূপ বৃদ্ধি করা আরেকটি উদ্দেশ্য দিনের পর দিন আটকে রেখে শারিরীক অসুস্থ্যতার আরও অবনতি ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করা। অন্ধকার কারাগারে আদালত গঠন বেগম জিয়াকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার শামিল। বেগম জিয়ার ওপর সরকারের এই বেআইনী অসদাচারণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বেগম জিয়ার ওপর যে অবিচার চলছে তা মানবধিকার লঙ্ঘন।’

বিএনপির এই নেতার বলেন, শেখ হাসিনা অবাধ ও সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চান না, কারণ এই ধরনের নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার লজ্জাজনক পরাজয় হবে। তাই একতরফা ভোটারশূণ্য নির্বাচন করার জন্য শেখ হাসিনা সারাদেশে বিরোধীদলশূণ্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

রিজভী দাবি করে বলেন, ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য মতে সারাদেশে ১৫ শতাধিক আটক এবং মামলা হয়েছে ১২ শতাধিক, নাম উল্লেখ করে আসামি সংখ্যা ১১ হাজার এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার।

তিনি বলেন, ‘এভাবে গ্রেপ্তার করে, জনগণকে তালাক দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে টিকে থাকতে চায় সরকার। কিন্তু তা সম্ভব হবে না। জনগণের উত্তাল ঢেউ শুরু হলে সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাবে।’

বিএনপির তিন দিনের কর্মসূচি:

৮ সেপ্টেম্বর- অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে খালেদা জিয়ার আদালত বসানোর প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ।

১০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে মানবন্ধন, সকাল ১১টা থেকে ১২টা।

১২ তারিখ খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে অনশন ১০টা থেকে ১২টা।

এবিএন/মাইকেল/জসিম/এমসি

এই বিভাগের আরো সংবাদ