মেট্রোরেলের উদ্বোধন ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর : সেতুমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:৩৮ | আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:৪৪

২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের সম্পূর্ণ অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের অগ্রগতি ৬৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের অগ্রগতি ৩৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ। ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক রেল কোচ) ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ বর্ধিত করার স্যোশাল সার্ভে চলছে। এ অংশের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। ইতোমধ্যে ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট দৃশ্যমান হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষ ২০২১ এর ১৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের সম্পূর্ণ অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, উড়াল ও পাতাল মেট্রোরেলের সমন্বয়ে ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) (ই/এস) এর আওতায় এমআরটি লাইন-১ এর কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এমআরটি লাইন-১ দুটি অংশে বিভক্ত। অংশ দুটি হলো ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্ডারগ্রাউন্ড বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) এবং ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল) বিমানবন্দর রুটেই বাংলাদেশের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড রেলপথ নির্মিত হতে যাচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, উভয় রুটের ফিজিবিলিটি স্টাডি, এনভায়রনমেন্ট ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট, রিসেটেলমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান, জিও সার্ভে, বেসিক ডিজাইন, ইউটিলিটি রিলোকেশন সার্ভে, ট্যাপোগ্রাফিক সার্ভে, ড্রোন সার্ভে অফ ডিপোট অ্যান্ড অ্যালাইনমেন্ট ও স্টেশনগুলোর জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। ডিটেইল ডিজাইনের কাজ চলছে। ডিপোর ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এমআরটি লাইন-১ এর রুট অ্যালাইনমেন্ট সংলগ্ন পূর্বাচল নতুন শহর এলাকায় ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট হাব ও স্টেশন প্লাজা নির্মাণের জন্য ভূমি অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) বা বাংলাদেশের প্রথম পাতাল রেল নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে অনুমোদিত হয়েছে। ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন পাশ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ছয়টি মেট্রোরেলের সমন্ধয়ে একটি শক্তিশালী নেটওর্য়াক গড়ে তোলার জন্য সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ