সিরাজগঞ্জে দুদক কমিশনার

জিডিপির অর্জন খেয়ে ফেলছে দুর্নীতি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ০১:৩৭ | আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ০১:৪০

দুদক কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ বেশি ধর্মভীরু। অথচ এ অঞ্চলের মানুষই বেশি দুর্নীতি করে। আর এই দুর্নীতিই বাংলাদেশের জিডিপি অর্জনের আড়াই থেকে তিন ভাগ খেয়ে ফেলছে।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জ শহরের শহীদ এম মনসুর আলী অডিটোরিয়াম হলে ‘জনতার শক্তি, রুখবে দুর্নীতি- এই স্লোগানে আয়োজিত গণশুনানি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

দুদক কমিশনার বলেন, দুর্নীতি একটি সামাজিক ব্যাধি। এটা থেকে মানুষকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ জন্য দুর্নীতিবাজ মানুষকে আগে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, তারপর আল্লাহু পাকের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই ওই ব্যক্তি ক্ষমা পেতে পারেন।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত ১৪১টি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত দেড় বছরে দুদকে ৩৭ লাখেরও অধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগই বেশি। যেগুলো আমাদের তদন্ত করার ক্ষমতা নেই, সেগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে দুদকের সমন্বিত জেলা (সিরাজগঞ্জ-পাবনা) কার্যালয়ের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় বক্তব্য রাখেন- দুর্নীতি দমন কমিশনের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মোর্শেদ আলম, সিরাজগঞ্জ-পাবনা অঞ্চলের উপপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হেলাল আহম্মেদ।

ওই সভা শেষে গণশুনানির কার্যক্রম শুরু হয়।

গণশুনানিতে বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে করা ৪৩টি অভিযোগ উত্থাপিত হয়। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অফিসার ইমান আলীর অনিয়ম-দুর্নীতি, বদলিজনিত কারণে উৎকোচ দাবি করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম এবং ভিজিডি কার্ডের অর্থ আত্মসাতের দায়ে সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর পরিষদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকিগুলো বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে আগামী ৭ থেকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন দুদক কমিশনার।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ