বানের জলে ঢাকার সাথে ৪ জেলার রেল যোগাযোগ বন্ধ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০১৯, ০৯:৪৭ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৯, ১০:১৫

বানের জলে লাখ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে। পানির তোড়ে অনেক স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ভিটামাটি হারিয়ে কাঁদছে। বন্যার পানিতে আরো তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদিকে অবিরাম বর্ষণ আর উজানের ঢলে গাইবান্ধায় রেলপথ ডুবে যাওয়ায় ঢাকার সঙ্গে গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাটের রেল যোগাযোগ গতকাল বুধবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। রেললাইনে পানি জমে স্লিপার, মাটি ও পাথর সরে গিয়ে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত বেশির ভাগ এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। অনেক স্থানে ত্রাণ না পেয়ে বন্যার্তরা হাহাকার করছে।

এদিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, যমুনা, কুশিয়ারা, মনু ও ধরলা নদীর পানি গতকাল বুধবারও বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বন্যার কারণে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ৮৭টি, বগুড়ার তিন উপজেলার ৮৬টি, শেরপুরের ৫২টি, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১৬টি এবং নীলফামারীর ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর নিয়ে এই প্রতিবেদন-

গাইবান্ধা : পানির তোড়ে সান্তাহার-লালমনিরহাট-রংপুর রেলপথের গাইবান্ধার বাদিয়াখালী অংশ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই পথে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। টানা বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এবং একের পর এক বাঁধধসের কারণে গাইবান্ধার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সকালে ভরতখালী ইউনিয়নের পোড়াগ্রাম এলাকায় ১০০ মিটার বাঁধ ও সড়ক ভেঙে যাওয়ায় সেখানে গাইবান্ধা-সাঘাটা আঞ্চলিক সড়কটি তলিয়ে গেছে। তীব্র গতিতে পানি ঢুকে নতুনভাবে বন্যাকবলিত হচ্ছে বোনারপাড়া, পদুমশহর, ভরতখালী ও কচুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম।

গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান জানান, রেলপথ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা পদ্মরাগ লোকাল ট্রেনটি বাদিয়াখালী স্টেশনে আটকা পড়ে। বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় একাধিক ট্রেনের যাত্রা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি পার্বতীপুর হয়ে চলাচল করবে।

গাইবান্ধার রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণকারী (মেষ্ট) মো. মুকবুল হোসেন জানান, গাইবান্ধার বাদিয়াখালী রেলস্টেশন থেকে তীরমোহনী রেলস্টেশন পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার রেলপথের ওপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে চার ইঞ্চি আবার কোনো কোনো জায়গায় ছয় ইঞ্চি ওপর দিয়ে এই পানি তীব্র বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে কিছু জায়গায় রেললাইনের নিচের মাটি, পাথর ও স্লিপার ধসে গেছে। গাইবান্ধা রেলস্টেশনের মাস্টার আবুল কাশেম জানান, তীব্র স্রোতে রেললাইনে পানি জমে স্লিপার, মাটি ও পাথর সরে গিয়ে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে বন্যার পানিতে বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জেলার সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গাইবান্ধা-সাঘাটা ও গাইবান্ধা-সাদুল্যাপুর সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে ফুলছড়ির তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপত্সীমার ১৪৩ সেন্টিমিটার এবং শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ঘাঘট নদীর পানি ৮৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি আরো বেড়ে যাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার কমে এখনো বিপত্সীমার ১১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। বুধবার সকাল ৮টার দিকে রৌমারীর বাগমারা বন্দবের বেড়িবাঁধ ভেঙে উপজেলা শহরসহ ৯টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এদিকে পানিতে ডুবে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কাজিরচক গ্রামের সুজন মিয়ার দেড় বছরের ছেলে ফুয়াদ হোসেন নিজ বাড়িতে বিছানা থেকে পড়ে বন্যার পানিতে ডুবে মারা যায়।

জেলার বন্যাকবলিত ৬০টি ইউনিয়নের ৪২০টি গ্রামের সোয়া চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যাকবলিত বেশির ভাগ এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম-সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ক পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় তৃতীয় দিনের মতো যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) : কাজিপুরে যমুনা নদীর পানি বিপত্সীমার ১০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এর ফলে উপজেলার চরাঞ্চলসহ ৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকেছে। পানির প্রবল তোড়ে নাটুয়ারপাড়া কেবি উচ্চ বিদ্যালয় ও নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রবেশের রাস্তা ধসে পড়েছে। নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক বকুল সরকার জানান, বন্যার কারণে কলেজ এক সপ্তাহের ছুটি দেওয়া হয়েছে।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) : উজানের পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় নবীগঞ্জের ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রসহ দুটি উচ্চ বিদ্যালয়, ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তিনটি মাদরাসা। অন্যদিকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুশিয়ারা নদীর পানি বিপত্সীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এবং পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম নবীগঞ্জের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন।

মৌলভীবাজার : মনু ও কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে থাকায় মৌলভীবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মনুর পানি ৩৬ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারা নদীর পানি ৫১ সেন্টিমিটার বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ধলাই নদের পানি কমে বিপত্সীমার এক মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বেশির ভাগ লোক বাড়ি ফিরে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, জেলার সব কটি নদীর পানি কমছে। পানি নেমে যাওয়ার পর ভেঙে যাওয়া বাঁধ দ্রুত মেরামত করা হবে। এদিকে গতকাল ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এবং পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম মৌলভীবাজারের বন্যাকবলিত মনু নদের চাঁদনীঘাট, উত্তরভাগসহ বেশ কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন।

রাজবাড়ী : পদ্মা নদীতে হু হু করে পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে, যা বিপত্সীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। পানি বাড়ার কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

ধুনট (বগুড়া) : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতি বর্ষণে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৬টায় যমুনার পানি বিপত্সীমার ১১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বন্যার পানিতে পড়ে ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নের ভূতবাড়ী গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী হাসিনা খাতুন (৫০) মারা গেছেন। এদিকে পাঁচ দিন ধরে টানা পানি বৃদ্ধিতে ধুনট, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তিন উপজেলার ৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) : সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপত্সীমার ১৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো বেশ কয়েকটি গ্রাম। গতকাল বুধবার সুন্দরগঞ্জ-কামারজানি বাঁধের চণ্ডীপুর পয়েন্টে বন্যার পানি ছুঁই ছুঁই করছে। চণ্ডীপুর ইউনিয়নের লালচামার বাজারের পাশে বন্যা নিযন্ত্রণ বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। উপজলোর বন্যাকবলিত সাতটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ায় অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা।

জামালপুর : যমুনার পানি বাড়তে থাকায় জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। জেলার সাত উপজেলায় প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। ত্রাণ না পেয়ে বন্যার্তরা হাহাকার করছে। জেলা প্রশাসন যে ত্রাণ বরাদ্দ পেয়েছিল তা উপজেলাপর্যায়ে বণ্টন শেষে গত মঙ্গলবার থেকে জেলায় ত্রাণের মজুদ ফুরিয়ে গেছে। যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপত্সীমার ১৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে যমুনা তীরবর্তী দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ ও মেলান্দহে সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার বকশীগঞ্জের দশানী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। 

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) : ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী ইউনিয়নে যমুনার ভাঙনে গৃহহীন খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া গ্রামের ২০০ পরিবারের মধ্যে গতকাল বুধবার দুপুরে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

শেরপুর : পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়ার ফলে শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর, চরমুচারিয়া, লছমনপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যার পানি ঢুকছে। গত মঙ্গলবার রাতে শ্রীবরদীর কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে আরো একটি শিশু মারা গেছে। নিহত শিশু রাফি মিয়া (৩) ওই এলাকার আতাউর রহমানের ছেলে। জেলা ত্রাণ অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, চলতি পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের ১৭২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে ৬৩ হাজার লোক পানিবন্দি রয়েছে। জেলায় ৫২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠায় ছয় দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

নীলফামারী : সাত দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে ১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। গত শনিবার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপত্সীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে ডিমলার তিস্তা নদী বেষ্টিত প্রায় ১৫টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। এর পর থেকে ধীরে ধীরে পানি কমে গতকাল বুধবার ওই পয়েন্টে নদীর পানি বিপত্সীমার ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ