প্রতিবন্ধীদের জন্য কক্লিয়ার ইমপ্লান্টে বরাদ্দ বাড়বে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০১৯, ২০:৫৭

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের যথাযথ চিকিৎসা ও থেরাপি প্রদানের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুরা বাক প্রতিবন্ধিতায়ও ভোগে। কক্লিয়ার ইমপ্লান্টের মাধ্যমে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা দূর করতে এ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ বাড়ানো হবে।

আজ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের মেজর জেনারেল এম শামসুল হক অডিটরিয়ামে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বরাদ্দপ্রাপ্ত জন্মগত বধির ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুর মধ্যে বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কার্যক্রম’ শুরু হয়। বর্তমানে বিএসএমইউ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অভ্ ইএনটি, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ কার্যক্রম চালু আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এ পর্যন্ত ৪৮১ জনকে এ সেবা প্রদান এবং ১৩৯ জনকে সেবা প্রদানের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০১৮ প্রণয়ন করে সে আলোকে সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। ভবিষ্যতে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বৃহৎ হাসপাতালসমূহে এ সেবা সম্প্রসারিত করার জন্য সরকারের পরিকল্পনা আছে বলেও তিনি অবহিত করেন।

পরে মন্ত্রী কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বরাদ্দপ্রাপ্ত জন্মগত বধির ও বাক শিশুর মধ্যে বরাদ্দপত্র বিতরণ করেন।  অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব জুয়েনা আজিজ, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফসিউর রহমান, এরিয়া কমান্ডার লজিস্টিক্স এরিয়া মেজর জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

এবিএন/রাজ্জাক/জসিম/এআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ