জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০১৯, ১৩:৪৭ | আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৯, ১৫:০৮

মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে বাঙালি জাতি। সর্বস্তরের জনতার পুষ্পাঞ্জলিতে ভরে উঠছে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও স্মৃতিস্তম্ভে অর্পণ করা হচ্ছে শ্রদ্ধার্ঘ্য।

আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় স্মৃতিসৌধে। পরে প্রধানমন্ত্রী তার দল আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে ফের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর বীরশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের জনতার জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এর পরই স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল নামে। লাল-সবুজের শাড়ি কিংবা পাঞ্জাবি পরে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তরুণ-তরুণী, প্রবীণদের পাশাপাশি অনেক শিশুকেও দেখা যায় অভিভাবকের আঙুল ধরে বা কাঁধে চড়ে স্মৃতিসৌধে আসতে। ঘণ্টা না পেরোতেই পুষ্পাঞ্চলিতে ভরে যায় স্মৃতিসৌধ।

সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। শ্রদ্ধা জানানোর অপেক্ষায় থাকা সারিবদ্ধ সংগঠনগুলোর স্লোগানে মুখরিত স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। বাতাসে ভেসে আসছে দেশ প্রেমের নানা সংগীত। কেউ কেউ ডাক দিচ্ছে নতুন সংগ্রামের। স্বাধীনতা ধরে রাখার সংগ্রাম। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা। শ্রমিক সংগঠনগুলো স্লোগান দিচ্ছে পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে। স্লোগান শোনা যাচ্ছে- অন্যায়ের বিরুদ্ধে, সাম্যের পক্ষে, বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর অনেকেই প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে তফাৎ খুঁজছেন। বলছেন, দেশ এগিয়েছে অনেক। তবে প্রত্যাশা আরও বেশি।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ