চকবাজার ট্র্যাজেডি, ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহে সিআইডি টিম ঢামেকে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:০২

পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪৬ জনের মরদেহ শনাক্ত এবং হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ করেছে পুলিশ ও ঢাকা জেলা প্রশাসন। তবে ৬৭টি মরদেহের মধ্যে এখনো ২১টি মরদেহ শনাক্ত ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি।

বাকি ২১ মরদেহের শনাক্তকরণের ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করতে শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আসেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল।

জানা যায়, তারা ২১ মরদেহ এবং স্বজনদের থেকে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করবে। পরে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে ডিএনএ টেস্ট শেষে প্রতিবেদন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ বিষয়ে সিআইডির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিএনএ অ্যানালিস্ট নুসরাত বলেন, আমরা এখন বাকি ২১ মরদেহ থেকে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করবো। পরে যেসব স্বজন মরদেহের খোঁজে আসবেন তাদের ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করবো। এবং তা সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার পর পুলিশের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়া হবে।

ঢামেক সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল মর্গের ফ্রিজ নষ্ট থাকায় অশনাক্ত ২১টি মরদেহের মধ্যে মিটফোর্ড হাসপাতালে ৫টি, সোহরাওয়ার্দীতে ৫টি, কুর্মিটোলায় ৩টি, হৃদরোগ হাসপাতালে ৫টি ও ঢাকা মেডিকেল জরুরি বিভাগের ফ্রিজে ৩ মরদেহ পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২১ মরদেহ এখনো শনাক্ত হয়নি। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মরদেহগুলো বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর চকবাজার এলাকার নন্দকুমার দত্ত সড়কের চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পেছনের একটি ভবনে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ১০ মিনিটে আগুন লাগে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের ভয়াবহতা কিছুটা কমলেও আবারও বেড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট একযোগে কাজ করে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। উদ্ধার অভিযান চলে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। এ ঘটনায় অন্তত ৬৭ জন নিহত হন। অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে যে নয়জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন, তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food