বাংলাদেশের ফুলের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:১৭

বাংলাদেশে ১৫ কোটি ডলারের ফুলের বাজার সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত হার্ল রবার্ট মিলার।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যশোরের গদখালির ফুল চাষ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ইউএস-এইডের কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে ফুলের উৎপাদন বাড়াতে চাষিদের বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করছেন। পাশাপাশি রপ্তানি সম্ভাবনা আরো বাড়াতে সংস্থাটির উদ্যোগে আধুনিক ফুল সংরক্ষণাগার তৈরি করা হচ্ছে।

মাটি আর মনের মিশেলে পরম যত্ন আর পরিচর্যায় ফোটে ফুল। সৌন্দর্যের প্রতীক এই ফুল বাণিজ্যিকভাবেও চাষ করা সম্ভব, যশোরে এই ধারণাটির শুরু ১৯৮৩ সালে। ঝিকরগাছার উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নে শুরু হলেও আস্তে আস্তে ফুল চাষ ছড়িয়ে পড়ে জেলাসহ সারা দেশে। শুধু তাই নয়, এ ফুল যাচ্ছে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও।

সোমবার( ১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২০ সদস্যের একটি দল নিয়ে দেশের ফুলের রাজধানী যশোরের গদখালী গ্রামে যান বাংলাদেশ নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হার্ল রবার্ট মিলার। তার সঙ্গে স্ত্রী মিশেলও ছিলেন। প্রতিনিধি দল নিয়ে ঘুরে দেখেন ফুল চাষ।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত হার্ল রবার্ট মিলার বলেন, 'বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ফুলের বাজার সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে চায়। সেই লক্ষে গত কয়েক বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে ইউএসএইড। বাংলাদেশের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।'

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় চাষি এবং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রতিনিধি দলটি। এসময় নিজেদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন ফুল চাষিরা।
 
তারা বলেন, ‘ভালো প্রশিক্ষণ হলে আমরা ফুল রপ্তানি করতে পারবো। ফুল সেক্টরে যে সমস্যাগুলো আছে, তারা এসেছে আমরা তাদের বলেছি তাতে সমস্যার সমাধান হতে পারে।’ 

এদিকে, ইউএস-এইডের কর্মকর্তা জানান, যশোরের চাষিদের আধুনিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ফুল সংরক্ষণ সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইউএস-এইডের উপদেষ্টা অনুরুদ্ধ রায় বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম অত্যাধুনিক ফুল সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। যেখানে গ্রেডিং সর্টিং হবে চাষিরা কাছ থেকে বায়াররা নিজেরাই ফুল নিয়ে যাবে।’

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র কৃষি ক্ষেত্রেও গুরুত্ব দিতে চায় বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

যশোরের পানিসারা ইউনিয়নে ৬ হাজার কৃষক বাণিজ্যিকভাবে রজনীগন্ধা ও গোলাপসহ ১১ ধরনের ফুল চাষ করছেন।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ