খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল : বিএসএমএমইউ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:৩৯

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন। 

আজ বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে গণাধ্যমকে তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার পর আজকে তাকে ছাড়পত্র দিয়েই কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উনাকে এক মাস চিকিৎসা দিতে আমরা চেষ্টার ত্রুটি করিনি। এখন উনার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এ স্থিতিশিলতা ইতিবাচক।

তাকে সুস্থ বলা যাবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, দেখুন সরাসরি এভাবে বলা যাবে না। উনার বার্ধক্যজনিত রোগ আছে। তাই একেবারে সেটা বলা যাবে না। তবে তার শারীরিক অবস্থা ইতিবাচক অর্থে স্থিতিশীল। উনাকে যথেষ্ট চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করাই আছে। যে কোনো সময় প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নিতে এখানে আসতে পারেন। আর কারাগারে তাকে নিয়মিত চিকিৎসা প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ তা ব্যবস্থা করবেন। তার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার অর্থ। তা চলবে।

পরিচালক বলেন, তার এমআর আই রিপোর্ট সবগুলো সন্তুোষজনক।

বিএনপির অভিযোগ খালেদা জিয়াকে মেডিকেলের ছাড়পত্র না দিয়েই কারাগারে পাঠানো হয়েছেÑ এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘ছাড়পত্রহীন কি পাঠানো যায়? ছাড়পত্র দিয়েই পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকে আবারও চিকিৎসার জন্য আনা হবে। এটি কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে তাকে হাসপাতালের ৬১২ নম্বর কক্ষ থেকে বের করা হয়। পরে একটি কালো এসইউভিতে করে কারাগারের পথে রওনা দেয়া হয়।

বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে খালেদা জিয়া কারাগারের আদালতে পৌঁেছন। এ সময় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল তৎপর।

হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সকালে একটি গাড়িতে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে একজন কারা কর্মকর্তা জানান।

কারা সূত্র আরও জানায়, নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারের জন্য নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার ভবনে ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস বসানোর আদেশ জারির পর এ মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর থেকে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন খালেদা জিয়া। তবে গত ৬ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। তার পর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ