পদ্মার ভাঙন রোধে আগামীকাল থেকে ড্রেজিং

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৫৮

শরিয়তপুরের নড়িয়ার ভাঙন কবলিত এলাকায় ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করতে আজই একটি ড্রেজার এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল থেকে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। এ এলাকায় পানি কমলেই বাঁধের কাজও সরকার শুরু করবে বলে জানান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) সচিব কবির বিন আনোয়ার।

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকালে নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর, মূলফৎগঞ্জ ও বাঁশতলার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে দুপুর পৌনে একটার দিকে নড়িয়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সচিব এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন, নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী ও নড়িয়া উপজেলা পিআইও (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন মতব্বর।

সচিব বলেন, স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধের জন্য শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার ৯ কিলোমিটার জুড়ে ‘পদ্মার ডান তীর রক্ষা প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প গত ২ জানুয়ারি একনেক সভায় পাস হয়েছে। পদ্মা সেতু থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৯৭ কোটি টাকা।

আগামী ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমানে পদ্মার ভাঙনের তীব্রতা রোধে জুলাই মাসে সাড়ে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এ অর্থ ব্যবহার করে ১১ জুলাই থেকে ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়, যা এখনও অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মূলফৎগঞ্জ বাজারের পদ্মার পাড়ে জিও ব্যাগ ফেলে কিছুটা হলেও ভাঙন ঠেকানো গেছে। এই খাতে নতুন করে আরও ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

পদ্মার স্রোতে নড়িয়া-জাজিরার তীরগুলো ভেঙে যাচ্ছে। তাই মাঝখানের চরগুলোকে কেটে ওই দিক দিয়ে পানি প্রবাহিত করার চেষ্টা চলবে। স্রোতটাকে ঘুরিয়ে দেয়া হবে। প্ল্যান করেই কাজ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজে নড়িয়া এলাকায় একটি ড্রেজার এসেছে। আরেকটি ড্রেজার দুই একদিনের মধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকায় পৌঁছে যাবে। 

এবিএন/মাইকেল/জসিম/এমসি

এই বিভাগের আরো সংবাদ