সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে : রাষ্ট্রপতি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৮

ঢাকা, ২১ আগস্ট, এবিনিউজ : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। একইসঙ্গে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ত্যাগের শিক্ষা প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আজ ২১ আগস্ট (মঙ্গলবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। তিনি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাই-বোনদের জানান ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

পবিত্র ঈদুল আজহা আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর- এ কথা উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ধর্মীয় এ উৎসবের সাথে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)’কে কুরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়। কারণ আজহার অর্থ কুরবানি বা উৎসর্গ করা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত। আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠানাদি জাঁকজমকের সঙ্গে পালন করে আসছে। এটা আমাদের সম্প্রীতির এক অনুপম ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে তা কাজে লাগাতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সকল ধর্মের মূল বাণী হচ্ছে মানব কল্যাণ। তাই ধর্মের অপব্যাখ্যা করে স্বার্থান্বেষী মহল যাতে সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহা সবার জন্য বয়ে আনুক কল্যাণ, সবার মধ্যে জেগে উঠুক ত্যাগের আদর্শ- মহান আল্লাহর কাছে এই আমার প্রার্থনা।

এবিএন/মাইকেল/জসিম/এমসি

এই বিভাগের আরো সংবাদ