ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভুটানকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দল

ঘরেই তৈরি করুন মাউথওয়াশ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৩৪

দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে দরকার নিয়মিত পরিচর্যা। এ ছাড়া দুর্গন্ধ, ক্যাভিটি, প্লাক জমা, এনামেল নষ্ট হয়ে যাওয়াসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে দাঁতে। দিনে অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই তো আর নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। সেই সঙ্গে চাই উপযুক্ত মাউথওয়াশ। কারণ মাউথওয়াশ শুধু যে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে তা নয়। মুখের ভেতরে সুস্বাস্থ্যও রক্ষা করে। জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে বানাবেন মাউথওয়াশ।

বেকিং সোডা : আধা চা চামচ বেকিং সোডা আধা গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিলেই এক ধরনের মাউথওয়াশ তৈরি হয়ে গেলো। দাঁত ব্রাশ করার পর কিংবা দিনের যেকোনো সময় শুধু এ মিশ্রণ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ ও ব্যাকটেরিয়া দূর করতে বেকিং সোডা অত্যন্ত কার্যকর।

নারিকেল তেল :  এ পদ্ধতির নাম ‘ওয়েল পুলিং’। এর জন্য চাই এক চা চামচ নারিকেল তেল। তেলটুকু মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ কুলি করতে হবে। পরে তেল ফেলে দিয়ে পানি দিয়ে ভালোভাবে কুলি করতে হবে। মুখ পরিষ্কারের পাশাপাশি শরীরের বিষাক্ত উপাদান অপসারণেও সহায়ক ভূমিকা রাখে এই পদ্ধতি। দাঁতে ‘প্লাক’ জমাও রোধ করে।

লবণ : লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি করা সম্পর্কে অনেকেই জানেন। এখানেও চাই আধা গ্লাস কুসুম গরম পানি আর আধা চা চামচ লবণ। একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই কাজ শেষ। বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাউথওয়াশের মতোই কার্যকর এটি।

অ্যালোভেরা : আধা কাপ অ্যালোভেরা আর আধা কাপ পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার হয় এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। দাঁতে ‘প্লাক’ জমা রোধ করে এবং মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধ করে এ মিশ্রণ।

দারুচিনি ও লবঙ্গের তেল : এক কাপ পানিতে ১০ ফোঁটা দারুচিনির তেল আর ১০ ফোঁটা লবঙ্গের তেল যোগ করতে হবে। উপকরণগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সাধারণ মাউথওয়াশের মতো করেই ব্যবহার করতে পারবেন। দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এ মিশ্রণ, তাই একসঙ্গে বেশি করে বানিয়ে রেখে দিতে পারেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ