উত্তরার লেডিস কর্নারে ঈদের বাহারি পোশাক

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ মে ২০১৮, ১৩:৪৮

ঢাকা, ৩১ মে, এবিনিউজ : প্রতিটি ঈদেই চমক দিচ্ছে বুটিক হাউজ গুলো। বুটিক হাউজ গুলোতে নানা বৈচিত্র চোখে পড়েছে। দেখতে গেলাম দোকেনে। খোলা বারান্দার মতো একটি জায়গা । তিন পাশ খোলা এই জায়গায় একটি মার্কেটে একটি দোকান। সেখানেই দেখা গেল ঝুমুর বণিকের ব্যস্ততা।

ঢাকা শহরের উত্তরার মোল্লা কমপ্লেক্সের কামার পাড়ার এই দোকান। দোকানে কিছুটা  ঈদের ভীড়  ছিল বটে। এর মাঝেই ফাঁকে ফাঁকে চলছিল ঈদের ব্যস্ততা নিয়ে কথপোকথন। তিনি সাংসারিক কাজ কর্মের করে পাশাপাশি বুটিক হাউজের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

তিনি কেন এই ব্যবসায় আসলেন জানতে চাইলে হেসে হেসে বলেন, আমার ছোটবেলা থেকেই নিজে কিছু করব প্রচন্ড একটা ইচ্ছা ছিল। আর এ ইচ্ছা থেকেই আমার সৃজনশীলতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে পোশাকের নজরকরা চমৎকার ডিজাইন সংগ্রহ করে থাকি। তাই নিজে এই ব্যবসা শুরু করেছি ১৮ই জানুয়ারী ২০১৩ সালে।

প্রথম দিকে কিছুটা সীমাবদ্বতা ছিল, চেষ্টা করছি এটাকে কাটিয়ে উঠতে। এখানে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ছোট-বড় সকলের বাহারী শাড়ি, থ্রি-পিস, টপস,ফতুয়া ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে এখানে ।


উত্তরায় লেডিস কর্নারে মার্কেটিং করতে আসা সালমা সুলতানা বলেন, ‘এবার ঈদে শাড়ি– কাপড় থেকে শুরু করে সব জিনিসের দাম একটু বেশি। তারপরও নিজের, শাশুড়ি, স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয় স্বজনের জন্য কেনাকাটা করেছি।’


কলেজের শিক্ষার্থী সাঈদা সুলতানা বলেন, ‘ঈদের জন্য একটি থ্রি-পিস কিনেছি। ড্রেসের সঙ্গে ম্যাচিং করে কসমেটিকস ও জুতা কিনেছি। তবে অন্যবারের চেয়ে দাম একটু বেশি।’


লেডিস কর্ণার হাউজের স্বত্বাধিকারী ঝুমুর রানী বণিক এবি নিউজ টুয়েন্টি ফোরকে জানান, এবারও পোশাকের প্যাটার্নে পরিবর্তন এসেছে। নকশার থেকে মূল ফোকাস দেওয়া হয়েছে প্যাটার্নে। পোশাক মানুষকে বাহ্যিক ভাবে সুন্দর করে তোলে। পোশাকের রংটিই সবার আগে মানুষের নজর কাড়ে। তারপর নকশা ও প্যাটার্ন।

আমি মনে করি না যে খুব রং চঙে পোশাকই একটি মানুষকে সুন্দর করে তুলতে পারে। তাই আমি ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন বুটিক হাউজ গুলো থেকে প্রতিনিয়ত সুন্দর মনকড়া পোশাক সংগ্রহ করে থাকি। আর যেহেতু ঈদ তাই জমকালো ভাব আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঈদকে সামনে রেখে বেশ কিছু নতুন জামা-কাপড় আমাদের বুটিক হাউজে আনা হয়েছে। দাম ও সকলের ক্রয় সীমার মধ্যে রয়েছে।

এবিএন/অমিত বনিক/জসিম/নির্ঝর

এই বিভাগের আরো সংবাদ