রিজিউম উপেক্ষিত হয় যেসব কারণে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:০৪

চাকরিদাতার সঙ্গে চাকরি প্রার্থীর প্রথম যোগসূত্র হলো রিজিউম। চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত তথ্য-সংবলিত বিবরণই অধুনা জীবনবৃত্তান্ত, বায়োডাটা, সিভি বা রিজিউম নামে পরিচিত। চাকরিদাতাদের কাছে সিভি একজন প্রার্থীর প্রতিচ্ছবি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের জীবনবৃত্তান্দত গ্রহণ করা হয়। কোনো  কোন প্রতিষ্ঠান খুব বড় জীবনবৃত্তান্ত অপছন্দ করে। আবার কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান চাকরি প্রার্থীর খুঁটিনাটি বিষয়সমৃদ্ধ পছন্দ করে। যেসব কারণে আপনার রিজিউম উপেক্ষিত হতে পারে-

টেমপ্লেট যাচ্ছেতাই
সত্যি কথা বলতে কী, গুগল থেকে ভালো একটা রিজিউমের টেমপ্লেট বাছাই করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ প্রার্থীরা সেখান থেকে অনবরত পছন্দের টেমপ্লেট বেছে নিয়ে থাকে। সেখানে আপনি পৃথক হবেন কীভাবে? এ ছাড়া বিষয়টি অপরিপক্বতারই নামান্তর। কাজেই সৃষ্টিশীলতার বিকল্প নেই।

দক্ষতার বয়ান সুনির্দিষ্ট নয়
আপনি কোন পদের জন্য আবেদন করছেন তা অবশ্যই সুস্পষ্ট থাকতে হবে। কিন্তু সেই কাজে যেসব দক্ষতার প্রয়োজন, তা কি সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেছেন? আসলে আপনাকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আসলেই মিটবে কি না তা পরিষ্কার করুন। কর্মীদের বেশ কয়েক ধরনের মেধা ও দক্ষতা আছে, যা কি না বিশ্বজুড়ে সব প্রতিষ্ঠানের জন্যেই দরকারি।

ওজন বড্ড বেশি
আপনার সিভি বা রিজিউম যদি অবাঞ্ছিত তথ্যে ভরা থাকে, তা হলে তা আপনার নিজের পড়তেই ভালো লাগবে না। আর তা নিয়োগকারীদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অযথা বাড়তি গুণবাচক কথা লিখে রিজিউমে কাগজের সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত ঘটবে।

একঘেয়ে তথ্য বর্জন করুন
আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে, আপনার রিজিউম কেন অন্যদের থেকে আলাদা করেছে? নিজেই চিন্তা করে বের করুন। জীবনবৃত্তান্তের একঘেয়ে অংশগুলো ফেলে দিন। সবার মতো একই কথার ফুলঝুড়ি তুলে ধরবেন না।

ঘাম ঝরাননি মোটেও
রিজিউমটা দেখলেই অভিজ্ঞ চোখ বলে দিতে পারে, এটি গোছাতে কতটা সিরিয়াস ছিলেন আপনি। কাজেই এর পেছনে যে ঘাম ঝরিয়েছেন তার নিশানা যেন অবশ্যই থাকে। আপনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বয়ান, বাড়তি প্যাচাল না থাকা এবং অন্যান্য তথ্যের গোছালো ও চমৎকার উপস্থাপনের ওপর গোটা বিষয়টি নির্ভরশীল।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ