মিতব্যয়ী হবেন যেভাবে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১০

আপনার পাশের বাড়ির ভদ্রলোক কয়েক দিন পর পরই এটা-ওটা বদলে ফেলেন? এমন বিলাসী মানসিকতায় আচ্ছন্ন হবেন না। যারা সত্যিকার অর্থেই সম্পদশালী হয়েছেন, তারা যে কোনো জিনিসের সর্বোত্তম এবং সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করেন। এটা স্বাভাবিক যে অপেক্ষাকৃত মানসম্পন্ন পণ্যের দাম বেশি হয় এবং তা টেকসইও হয়ে থাকে। আপনি ভালো জিনিস কিনুন। কিন্তু ব্যবহারের অযোগ্য হওয়ার আগ পর্যন্ত সেটিকে কাজে লাগান।

সঞ্চয়ী হোন : নিজের ওপর বিনিয়োগ করুন। সবচেয়ে ভালো উপায়টি হলো সঞ্চয়ী হিসাব খোলা। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আয়ের নির্দিষ্ট একটি অংশ জমাতে থাকুন। সবটুকু খরচ না করে নিজের জন্য জমানোও মিতব্যয়িতার লক্ষণ।

ডিসকাউন্ট নিন : শখের পোশাক কেনার সময় পুরো দামে কেনার দরকার নেই। আপনি ডিসকাউন্টের অফার গ্রহণ করতে পারেন। অন্যান্য পণ্য কেনার সময়ও একই সুযোগ দিন। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে বা সুপারশপে প্রায় সব সময়ই ডিসকাউন্ট চলতে থাকে। এখান থেকে পণ্য কিনলে অনেক পয়সা বেঁচে যায়।

নতুন কাজ শিখুন : আপনি নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কাজে দক্ষ। পাশাপাশি অন্য কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। নতুন কিছু শেখার পেছনে যে ব্যয় হবে তা অবশ্যই ইতিবাচক বিনিয়োগ, যা শিখলেন সেখান থেকে আয়ের নয়া ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। আয় বৃদ্ধি মানে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়বে।

বাইরে খাওয়া কমান : পছন্দের রেস্টুরেন্টের প্রিয় খাবার খেতে কার না মন চায়। এটা করতেই পারেন। কিন্তু ঘন ঘন বাইরে খাওয়ার কোনো মানে নেই। এতে স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি। কারণ বাড়িতে বানানো খাবারই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। বিশেষ উপলক্ষে খেতে মানা নেই। তবে অযথা প্রতিদিন যখন-তখন এ কাজ না করাই ভালো।

পরিকল্পনা করুন : যে কোনো কাজ শুরুর আগে থেকেই পরিকল্পনার কাজটা সেরে নিন। সে ক্ষেত্রে আচমক বেমক্কা পরিস্থিতির শিকার হতে হবে না। এটা সাধারণ বিষয়েও হতে পারে। মাসের বাজার করার আগে ভেবে নিন কোন জিনিসগুলো কী পরিমাণ কিনতে হবে। এ ধরনের কাজ ধারণার ওপর না করাই বুদ্ধিমান ও মিতব্যয়ী হওয়ার লক্ষণ। আর অবশ্যই দরদাম করেই জিনিস কিনবেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ