দুদকের মামলায় এনু ৪ দিনের রিমান্ডে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:০৪

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের হোতা গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক এনুর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস রিমান্ড শুনানির জন্য আজ ২৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, অবৈধ উদ্দেশে অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে এনু জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নিজ নামে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৩ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

এর আগে ১৯ জানুয়ারি তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস ক্যাসিনো কাণ্ডের আরেক হোতা গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ ছাড়া ক্যাসিনো কাণ্ডের হোতা গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হককে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আবেদন মঞ্জুর করেন।

১৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর থানার অর্থপাচার মামলায় রূপনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। অন্যদিকে গেন্ডারিয়া থানার অর্থপাচার মামলায় এনামুল ও মোস্তফার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী আসামি এনামুল ও রূপনের ৪ দিন এবং মোস্তফার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তাদের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেরানীগঞ্জে মোস্তফার বাড়িতে থেকে বেনামি পাসপোর্ট তৈরি করে ভারত হয়ে নেপাল যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন এনামুল ও রূপন।

দুজনকে গ্রেফতারের পর সিআইডি জানায়, দেশে ক্যাসিনো কারবার চালুর পেছনের হোতা তারা দুইভাই। নেপালিদের মাধ্যমে দুইভাই বিদেশ থেকে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম নিয়ে আসেন। তারপর তা ছড়িয়ে দেয়া হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এ কারবারে দুইভাই ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে যান।

এ দুজনের ২২ জায়গায় জমি ও বাড়ি রয়েছে, যার অধিকাংশই পুরান ঢাকা কেন্দ্রিক। এ ছাড়া সারাদেশে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ৯১টি অ্যাকাউন্টে তাদের মোট ১৯ কোটি টাকা জমা রয়েছে। ব্যক্তিগত পাঁচটি গাড়িও রয়েছে তাদের। সেপ্টেম্বরে দুজনের বাড়িতে অভিযানের সময় পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছিল। জানা যায়, সেগুলো ব্ল্যাকমানি (কালো টাকা) ছিল। দেশের বাইরে পাচার করতে তারা সেগুলো রেখেছিলেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ