প্রাথমিকে ১৮ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:৪২

‘প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩’ লঙ্ঘন করে গত ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফল কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঘোষিত ওই ফলাফল বাতিল করে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ অনুসরণ করে নতুন ফলাফল কেন ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এসব রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নিয়োগ প্রার্থীদের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর ও রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কামাল হোসেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। 

পরে আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের মাধ্যমে, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থীদের মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

কিন্তু গত ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে আইনের বিধান অনুসরণ করা হয়নি। তাই প্রতিকার চেয়ে ১৬ নিয়োগপ্রার্থী ওই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করলেন হাইকোর্ট। তবে এ রুল শুনানির আগে ওই ফলাফল অনুসারে যদি তারা নিয়োগের উদ্যোগ নেয়, তা হলে তা স্থগিতে আমরা ফের আদালতের শরণাপন্ন হবো বলেও আইনজীবী জানান।

এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ হাজার ১৪৭ প্রার্থীকে বাছাই করে ফলাফল প্রকাশ করে।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ