আইনজীবীর সহকারী হত্যায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০১৯, ১২:১৯ | আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০৪

ঢাকার জজ কোর্টের আইনজীবীর সহকারী মোবারক হোসেন ভূঁইয়াকে (৪৫) হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। 

আজ সোমবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মনির কামাল এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির আসামিরা হলেন- মো. মাহবুবুর রহমান ভুইয়া ওরফে মহুব, মোজাম্মেল হক ভুঁইয়া ওরফে বাদল ভুইয়া, আফজাল ভুঁইয়া, এমদাদুল হক ওরফে সিকরিত ভুঁইয়া, নয়ন ভুঁইয়া, ভুলন ভুঁইয়া ওরফে ভুলু, রুহুল আমিন, শিপন মিয়া, সুলতানা আক্তার, দেলোয়ার হোসেন, বিধান সন্নাসী ও নিলুফা আক্তার। তাদের মধ্যে শেষের চারজন আসামি পলাতক। রায় ঘোষণা শেষে বিচারক আসামিদের সাজা পরোয়ানা ইস্যু জারি করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অপর দুই আসামি তাসলিমা আক্তার (পলাতক) ও শামীম ওরফে ফয়সাল বিন রুহুলকে (পলাতক) এক বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। জয়নাল আবেদীন নামে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া বিচারক খালাস প্রধান করেন। 

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মাহাবুবুর রহমান রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন। তার সহযোগী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাছান এসব তথ্য জানান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার বাদী অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন ও প্রতিবন্ধী শিশু পাঠশালা নামের প্রতিষ্ঠানের সেক্রেটারি। হত্যার শিকার মোবারক হোসেন ভুঁইয়া ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। আসামিরা দীর্ঘদিন থেকে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের বিরোধিতা করে আসছিলেন। ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই প্রতিষ্ঠানের সংস্কারমূলক কাজ করতে গেলে আসামিরা কাজ বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটি ভাঙচুর করতে যায়। এতে বাদী বাধা দিলে মোবারক হোসনকে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনায় ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর মোবারক হোসনের ছোট ভাই মোজাম্মেল হক ভুঁইয়া বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন। ২০১৭ সালের ২ জানুয়ারি বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলার তদন্ত শেষে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছর ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ