আবরার হত্যা: চার্জশিটে আসামি হচ্ছে ২৩ জন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৫৯ | আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:০৫

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় চার্জশিটে ২৩ জনকে আসামি করা হচ্ছে। দণ্ডবিধির ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে। অক্টোবরের শেষ দিকে কিংবা নভেম্বরের শুরুর দিকে আবরার হত্যায় চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে একাধিক সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রথমে এই হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি ছিল ১৯ জন। পরবর্তীতে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাওয়ায় তাদের চার্জশিটে আসামি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ওই সূত্র জানায়, আবরার হত্যা মামলায় বুয়েটের চিকিৎসক, শেরেবাংলা হলের প্রভোস্টসহ আরও অনেককে সাক্ষী করা হবে। এরই মধ্যে মামলায় জব্দ সব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আবরার হত্যা মামলায় আসামিরা হলো- ১৩তম ব্যাচের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ও বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, একই বিভাগের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, ১৫তম ব্যাচের ছাত্র এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, একই ব্যাচের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ও ১৬তম ব্যাচের ইফতি মোশাররফ সকাল, সাহিত্য সম্পাদক ও একই ব্যাচের মনিরুজ্জামান মনির, ক্রীড়া সম্পাদক ও ১৫তম ব্যাচের মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ১৭তম ব্যাচের মাজেদুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সদস্য ও ১৬তম ব্যাচের মুজাহিদুর রহমান, একই ব্যাচের ছাত্র তানভীর আহম্মেদ, ১৭তম ব্যাচের হোসেন মোহাম্মদ তোহা, ১৬তম ব্যাচের মো. জিসান, একই ব্যাচের মো. আকাশ, ১৭তম ব্যাচের শামীম বিল্লাহ, মো. শাদাত, ছাত্রলীগ কর্মী এহতেশামুল রাব্বি তানিম, ১৭তম ব্যাচের মো. মোর্শেদ, একই ব্যাচের মো. মোয়াজ এবং ছাত্রলীগ কর্মী ও ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মুনতাসীর আল জেমি। তারা সবাই বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র।

আসামিদের মধ্যে মাজেদুল, তানভীর, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, জিসান, আকাশ, শামীম, শাদাত, মোর্শেদ ও মোয়াজ ছাত্রলীগের কোনো পদে রয়েছে কি-না, তা জানা যায়নি। তবে শেরেবাংলা হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, সক্রিয় কর্মী হিসেবে তারা নিয়মিত ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিংয়ে যায় এবং সবাই সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের কর্মী। তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এজাহারে নাম নেই এমন চারজনকে আসামি করা হচ্ছে। তারা হলো- ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান মিজান ও শামসুল আরেফিন রাফাত।

আসামিদের মধ্যে মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, শামসুল আরেফিন রাফাত, অমিত সাহা ও এএসএম নাজমুস সাদাত রিমান্ডে আছে। আবরারসহ তাকে হত্যায় অভিযুক্তদের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, সিসিটিভি ফুটেজ, ফেসবুকের স্ট্ক্রিনশট পরীক্ষার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ