ইরানি আকাশসীমা ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৪৬

কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো ইরাক ও ইরানের আকাশসীমা দিয়ে তাদের বিমান চলাচল অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি ইরান এবং আমেরিকার মধ্যকার সামরিক সংঘাতে মারাত্মক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরির প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে বিমান চলাচল নিয়ে এক রকমের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।

গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন সেনারা ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে হত্যা করে। এর প্রতিশোধ হিসেবে ৮ জানুয়ারি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইরাকে অবস্থিত দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ওই দিনই ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে ভুলক্রমে ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয় যাতে ১৭৬ আরোহীর সবাই নিহত হন।

এ ঘটনার পর জার্মান এয়ারলাইন্স লুফথানসা, এয়ার ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স এবং অস্ট্রেলিয়ার কান্তাস এয়ারলাইন্স বিমান চলাচলের জন্য ইরাক ও ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে ভিন্ন রুট ব্যবহার শুরু করে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আদিল আল-গেইথ বলেছেন, পারস্য উপসাগর, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানের বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য ইরানের আকাশসীমা সব দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দুবাইভিত্তিক আরেকটি বিমান সংস্থা ফ্লাই দুবাই তারাও ইরাক এবং ইরানের আকাশসীমা ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া, কুয়েত এয়ারওয়েজ এবং আবুধাবিভিত্তিক ইতিহাদ এয়ারওয়েজও ইরাক ও ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করছে। পাশাপাশি কাতার এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকবর আল-বাকের বলেছেন, “আমরা ইরানের আকাশসীমা ব্যবহার অব্যাহত রাখব কারণ ইরান আমাদের কাছে একটা গুরুত্বপূর্ণ দেশ। আমরা ইরানের জনগণের স্বার্থ দেখতে চাই।”

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ