কাশ্মীরের লালচকে উড়বে জাতীয় পতাকা: অমিত শাহ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৫৩

কাশ্মীর নিয়ে বহু জল্পনার পর এবার লালচকে জাতীয় পতাকা উড়তে চলেছে। সৌজন্যে মোদী সরকার। এবারের স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকায় মুড়ে যাবে কাশ্মীর, এমনই পরিকল্পনা কেন্দ্রের। ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্র।

জানা গেছে, ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শ্রীগনরের লালচকে পতাকা উত্তোলন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এবারের স্বাধীনতা দিবস কাশ্মীরেই পালন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যা রাজনৈতিক দিক থেকে রীতিমত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৫ই অগাষ্ট কাশ্মীর সফর শুরু হচ্ছে অমিত শাহের। অমিত শাহ লাদাখ সফরে যাবেন ১৬ ও ১৭ই অগাষ্ট৷ ১৫ তারিখ নির্ধারিত কর্মসূচি মেনে যদি লাল চকে জাতীয় পতাকা ওড়ে, তবে তা মোদী সরকারের সাফল্যের মুকুটে আরেকটি পালক যোগ করবে নি:সন্দেহে। 

রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে কেন্দ্র৷ তথ্য যোগাড় করেছেন সম্প্রতি কাশ্মীরে ঘুরে বেড়ানো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও। আরএসএসের প্রচারক মোদী এবং তৎকালীন বিজেপি সভাপতি মুরলী মনোহর যোশী ১৯৯২ সালের ২৬শে জানুয়ারি কাশ্মীরের লাল চকে জাতীয় পতাকা তুলেছিলেন। 

২০১৯ সালের অগাষ্টে যদি এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়, তবে তা মোদী সরকারের কাছে গর্বের বিষয় হবে৷ ইতিমধ্যেই লাল চকে স্বাধীনতা দিবস পালনের সব রকম প্রস্তুতি প্রায় সেরে ফেলেছে প্রশাসন। ১৯৪৮ সালে প্রথমবার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু লাল চকে স্বাধীন ভারতের তেরঙ্গা তোলেন।

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর থেকেই বেশ কয়েকবার গর্জন করেছে পাকিস্তান৷ ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও উল্লেখ করেছে পাকিস্তান। ভারতে কোনও পাক রাষ্ট্রদূত পাঠানো হবে না, পাকিস্তান থেকেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, ইসলামাবাদের এই সিদ্ধান্তের কঠোর বিরোধিতা করেছে নয়াদিল্লি৷ যদিও পাকিস্তান জানিয়ে দিয়েছে, কাশ্মীরে তাদের তরফ থেকে কোনও সেনা মোতায়েন করা হবে না৷ তারা আলোচনা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপরেই ভরসা করে৷ পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি জানিয়েছেন অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ভারত যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, পাকিস্তান ধৈর্য্য ধরে থাকবে এবং নতুন করে কোনও সামরিক অভিযান করা হবে না। 

এবিএন/নির্মল/জসিম/এনকে

এই বিভাগের আরো সংবাদ