একটি শুভ সুস্থ আন্দোলন নেপথ্যে অশুভ চক্রের ষড়যন্ত্র

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, ০৭ আগস্ট, এবিনিউজ : ঢাকায় অবশেষে ঝড় অনেকটা থেমেছে বলে খবর পেয়েছি। শনিবার ৪ আগস্ট যখন ঢাকা থেকে লন্ডনে রওনা হই, সেই দিনটি ছিল সবচেয়ে অশান্তিময়। এই ঝড় কোনো প্রকার পূর্বাভাস ছাড়াই এসেছে। ২৩ জুলাই সোমবার, আমি সেদিন লন্ডন থেকে ঢাকায় গিয়ে পৌঁছি, সেদিনও এই ঝড়ের কোনো আভাস ছিল না। এর পরই এই ঝড় কালবৈশাখীর মতো আকস্মিকভাবে এসেছে। সারা শহর লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে।

অথচ এই ঝড়ের যেমন কোনো আভাস ছিল না, তেমনি দরকারও ছিল—যখন সারা শহর বাস নামের যন্ত্রদানবের নিষ্ঠুর পেষণে কয়েকটি কচি প্রাণ ঝরে যাওয়ায় গভীরভাবে শোকার্ত তখন এক মন্ত্রীর অসতর্ক কথায় এই ঝড়ের সৃষ্টি। আমার দুঃখ হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন একটি সাধারণ নির্বাচন সামনে নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশটিকে গুছিয়ে এনেছেন, নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টায় সফল হতে চলেছেন তখন তাঁরই দলের এক শ্রেণির মন্ত্রী ও নেতার দায়িত্বহীন কথাবার্তায় তা ভণ্ডুল হওয়ার উপক্রম হয়। তাই আমি বারবার লিখছি, আওয়ামী লীগের আসল শত্রু এখন বিএনপি ও জামায়াত নয়, আওয়ামী লীগের আসল শত্রু এখন আওয়ামী লীগের ভেতরেই বসে আছে।

যার অসতর্ক কথায় দেশে এই ঝড় সৃষ্টি হয়েছে, সরকার কয়েক দিনের জন্য হলেও চরম বিপাকে পড়েছিল, সেই নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা দীর্ঘদিনের। এবার লন্ডন থেকে ঢাকায় যেতেই তিনি আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ছুটে এসেছিলেন, তখন ঘটনা ঘটে গেছে। তাঁকে বলেছি, এটা আপনি কী করলেন? তিনি অনুতপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘আমি যা বলেছি, তা মিন করিনি। এ জন্য আমি সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেছি। আর এ কথাও বলেছি, আমি পদত্যাগ করলে যদি সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ হয়, তাহলে আমি তা করতে প্রস্তুত আছি।’

মন্ত্রী মহোদয়কে বলতে চেয়েছি, আপনার পদত্যাগে সমস্যার সমাধান হবে না। কিংবা দুই দুর্বৃত্ত বাস ড্রাইভারকে ফাঁসি দিলেও সমস্যাটি ঘুচবে না। এ সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে। তবে আপনার মন্তব্যটি বারুদে আগুন দেওয়ার মতো। যদিও আপনি যা বলেছেন, তা মিন করেননি, তা আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল ভিন্ন।

আমার কথায় নৌপরিবহনমন্ত্রী ক্ষুণ্ন হননি, বরং নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। শুধু তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজই মানুষকে ক্ষুব্ধ করেনি, তাঁর বক্তব্যও ছিল ভুল। ভারতে বাস দুর্ঘটনায় ৩০ জনের বেশি যাত্রী নিহত হয়েছে বটে; কিন্তু সেটি ছিল প্রকৃত দুর্ঘটনা। বাসটি রাস্তার পাশে গভীর খাদে উল্টে পড়ে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আর ঢাকায় দুই বেসামাল বাস ড্রাইভার (একই কম্পানির) নিজেদের মধ্যে অবৈধ দৌড়ের প্রতিযোগিতা লাগিয়ে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো দুজন ছাত্র-ছাত্রীকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। ভারতে ও বাংলাদেশে এই বাস দুর্ঘটনার পার্থক্যটি সুস্পষ্ট। একটি ইচ্ছাকৃত দুর্ঘটনা। আরেকটি হলো ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়ানো দুই কিশোর-কিশোরীকে হত্যা। দেশটি নয়া চীন হলে এই শিশুঘাতী বাস ড্রাইভার শুধু নয়, এই বাসের মালিকদেরও তাত্ক্ষণিক বিচারে প্রাণদণ্ড দেওয়া হতো।

রবিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে দেশব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, ‘আমাদের ট্রাফিক আইন মানার জন্য মানুষকে বাধ্য করতে হয়। আইন তো করা হয় মানার জন্য। তা মানতে বাধ্য করার জন্য নয়।’ পুলিশের এই মহাপরিচালক একজন দক্ষ ও ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তাঁর কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করতে পারছি না।

ঢাকা শহরে (দেশের বেশির ভাগ শহরে) ট্রাফিক আইন যে মানা হয় না তার জন্য সাধারণ পথচারী মানুষের ওপর সব দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। এই আইন ভাঙার কারিগর শহরের নব্য ধনী, সরকারি উচ্চপদের আমলা ও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের একটি বড় অংশ। তাদের গাড়ির চালকদের অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত নেই। বাস ও লরি চালকদের একটি বড় অংশ গাড়ি চালনায় দক্ষ নয়, তারা ঘুষ দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স জোগাড় করে। এই ঘুষ সাধারণ মানুষ খায় না। কিন্তু তারা প্রায়ই বাস অথবা লরি চাপা পড়ে মরে।

যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী লরিগুলোর বেশির ভাগের অবস্থা দেখলে আতঙ্ক হয়। বেশির ভাগ বাস, ট্রাক ও লরি পুরনো। কোনোটির ব্রেক নেই, কোনোটির ইঞ্জিন বিকল। এসব গাড়ি নিয়ে রাতারাতি গাড়ির হেলপার থেকে ড্রাইভার হওয়া লোকজন যখন জনাকীর্ণ রাস্তায়ও বেপরোয়া গাড়ি চালায় তখন পথচারী সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা থাকে কি?

দেশের নদীপথে লঞ্চ দুর্ঘটনা ও রাজপথে গাড়ি দুর্ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক। লঞ্চ দুর্ঘটনার সংখ্যা একটু কমেছে। গাড়ি দুর্ঘটনার সংখ্যা এখনো কমেনি। ঢাকা শহরে এত উড়াল সেতু নির্মাণের পরও কমেনি। যন্ত্রদানবের রক্তপিপাসায় দেশের অনেক বরেণ্য মানুষ আমরা হারিয়েছি। তাঁদের মধ্যে যদিও চিত্র পরিচালক, আমার বন্ধু তারেক মাসুদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর সন্তানের কথা আমার মনে পড়ে। বাস ও লঞ্চের ধাক্কায় নিত্য অসহায় নর-নারী-শিশু মারা যাচ্ছে। তার প্রতিকার কোথায়?

ঢাকার রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে আমার যে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জন্মেছে তা ভালো নয়। এমনিতে ঢাকার জনসংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে, সেই সঙ্গে শহরের ধারণক্ষমতা বিবেচনায় না এনে নতুন গাড়ি আমদানির লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে দেদার। নইলে নব্য ধনীরা বিদ্রোহী হবে। পুরনো ও প্রায় অচল গাড়িগুলো রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে না। একদিকে তার কালো ধোঁয়া শহরের পরিবেশদূষণ ঘটাচ্ছে। অন্যদিকে পথচারী হত্যা করছে। এ জন্য দায়ী এই বাস ও লরি কম্পানিগুলোর মালিকরা। তাঁদের বেশির ভাগই যেহেতু ক্ষমতাসীনদের কারো কারো অনুগ্রহপুষ্ট, তাই তারা গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গণহত্যার ব্যবসায়ে পরিণত করে অবাধে অবৈধ মুনাফা লুটছে। সরকার সন্ত্রাস দমনে সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু এই ‘গণহত্যা’ দমনেও সাফল্য দেখাতে হবে।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি, রাজধানীর বিশেষ বিশেষ অঞ্চল ছাড়া বেশির ভাগ এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা শোচনীয়। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে যাওয়ার পথে নন্দীপুর অথবা নন্দীগ্রাম এলাকার রাস্তা প্রাণ হাতে করে পার হতে হয়েছে। আমার সহযাত্রী এক বন্ধু বলেছেন, বর্তমান সরকার মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়ে বিশ্বময় প্রশংসা অর্জন করেছে; কিন্তু সেই সঙ্গে যদি রাজধানীর রাস্তাঘাটগুলোর সংস্কার ও প্রাত্যহিক ভয়াবহ যানজট নিরসনের ব্যবস্থা করতে পারত, তাহলে দেশের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সর্বাত্মক সমর্থন লাভ সম্পর্কে কোনো সংশয় থাকত না।

ঢাকা শহরে যানজট সমস্যার নিরসন হচ্ছে না, তার জন্য দায়ী পুলিশের একটি অংশও। আমাদের পুলিশ বাহিনী এখন অনেক স্মার্ট, আধুনিক ও দক্ষ। কোনো কোনো মাঝারি ও উচ্চপদের তরুণ পুলিশ কর্মকর্তাকে আমি চিনি, যাঁরা শুধু দক্ষ ও কর্তব্যপরায়ণ নন, সৎ এবং দেশপ্রেমিকও। কিন্তু পুরনো কলোনিয়াল আমলের মানসিকতা ও অভ্যাসের অনুসারী এক শ্রেণির পুলিশ ও পুলিশ কর্মকর্তার দৌরাত্ম্য এখনো পুলিশ বাহিনীর সুনামকে কালিমালিপ্ত করেছে। এই শ্রেণির ট্রাফিক পুলিশ রাজধানীর কোনো কোনো এলাকায় কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি করে গাড়িচালকদের, বিশেষ করে মালবাহী লরি ও ট্রাক চালকদের কাছ থেকে মোটা ঘুষ আদায় করে। তারা ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী গাড়িচালকদের ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্রয় দেয়। ট্রাফিক জ্যাম তাদের জন্য ঘুষ বাণিজ্যের এক চমত্কার পথ। তাই শুধু ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করে লাভ হবে না। সরকারকে সমস্যাটির সব দিক বিবেচনায় আনতে হবে এবং কার্যকর প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

এবার আসি নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে কিশোর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কথায়। আমি এ আন্দোলনের জন্য তরুণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই। তাদের দাবিদাওয়া ছিল যৌক্তিক এবং দাবি আদায়ের পন্থাও ছিল শৃঙ্খলাপূর্ণ। সরকারও তাদের দাবিদাওয়ার যৌক্তিকতা স্বীকার করে সঙ্গে সঙ্গে তা মেনে নিয়েছে এবং নিহতদের পরিবারদের জন্য মোটা দাগের অর্থ বরাদ্দ করেছে। কিন্তু তার পরও যে তরুণ শিক্ষার্থীরা আরো আন্দোলন চালিয়েছে, তার কারণ সরকার দাবি মেনে নিলেও ভবিষ্যতে তা বাস্তবায়িত হবে সে সম্পর্কে তাদের মনে বিশ্বাসের অভাব।

অতীতে দেখা গেছে, সরকার কোনো কোনো আন্দোলনে গণদাবি সঙ্গে সঙ্গে মেনে নিয়েছে। পরে সেই দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি পালন বিলম্বিত হচ্ছে। অথবা ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে। এর মূলে থাকে আমলাতন্ত্রের কারসাজি ও লাল ফিতার দৌরাত্ম্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ঔদার্য ও দূরদর্শিতা দ্বারা এ আন্দোলনের মোকাবেলা করেছেন, ততটা ঔদার্য ও দূরদর্শিতার সঙ্গে যদি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মনে এই বিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারেন যে সরকার তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া অবিলম্বে বাস্তবায়নে আন্তরিক এবং আমলাতন্ত্র তাদের দাবি পূরণের পথে কোনো দীর্ঘসূত্রতার আশ্রয় গ্রহণ করতে পারবে না, তাহলে প্রধানমন্ত্রী এ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে ‘তৃতীয় পক্ষের’ ষড়যন্ত্রের যে কথা বলেছেন, তা সর্বতোভাবে ব্যর্থ হবে। এখনই তা ব্যর্থ হওয়ার পথে।

এ আন্দোলনে তরুণ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ভূমিকাকে অভিনন্দন জানাই। এ আন্দোলনের সময় আমি গাড়িতে বসুন্ধরায় যাচ্ছিলাম। তরুণ শিক্ষার্থীদের এক দল আমার গাড়ি থামিয়েছিল এবং বিনীতভাবে বলেছে, ‘স্যার, আপনার গাড়ির চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সটি দেখতে চাই।’ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখানোর পর গাড়িটি তারা ছেড়ে দেয়। গাড়ির কাগজপত্র দেখা, ফিটনেস দেখা, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখা পুলিশের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে পুলিশের চেয়ে তরুণ শিক্ষার্থীরা যে অধিক দক্ষতা দেখিয়েছে, সততা দেখিয়েছে—এ কথা অনস্বীকার্য। পুলিশের উচিত তাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা।

এ কথা সত্য, এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক অশুভ উদ্দেশ্যে হাইজ্যাক করার জন্য একটি চক্র মাঠে নেমেছিল। প্রধানমন্ত্রী তাদের ‘তৃতীয় পক্ষ’ বলে উল্লেখ করেছেন। আসলে তারা বিএনপি ও জামায়াতের ক্যাডার। ছাত্র পরিচয়ে তারা তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু থেকেই রাস্তায় যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ংকর গুজব ছড়াতে শুরু করেছিল। কিন্তু তরুণ শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগকে দলে টানতে না পেরে শেষে তারা নিজেরাই তাদের স্বভাব অনুযায়ী সন্ত্রাসী ভূমিকায় নেমেছিল এবং আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে নিজেদের আসল পরিচয় নিজেরাই প্রকাশ করে দিয়েছে।

একটা লক্ষণীয় ব্যাপার এই যে বিএনপি ও জামায়াত নিজেরা কখনো কোনো প্রকৃত গণদাবিভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে না। তারা অন্যের আন্দোলন হাইজ্যাক করে তাকে অসাধু রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়। অতীতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এবারও তারা ব্যর্থ হবে। হাসিনা সরকারের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, অশুভ তৃতীয় পক্ষকে দমনে কঠোর হোন; কিন্তু তরুণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিদাওয়া মেনে নেওয়ার পর তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করুন। আর মন্ত্রী ও এমপিদের কাছে আবেদন, সামনে একটি সাধারণ নির্বাচন। এ সময় অসতর্ক ও দায়িত্বহীন কথাবার্তা বলে গণবিরোধী অশুভ চক্রের হাতে যেন শক্তি না জোগান। দেশের ও জনগণের বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে হাসিনা সরকারের আগামী নির্বাচনেও জয়ী হওয়ার দারুণ আবশ্যকতা রয়েছে। (কালের কণ্ঠ থেকে সংগৃহীত)

লন্ডন, সোমবার, ৬ আগস্ট ২০১৮