১৬ই জুলাই শেখ হাসিনার কারাদিবস

  মোঃ মশিউর রহমান

১৬ জুলাই ২০২০, ২১:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনা মানে যেন পরীক্ষা আর পরীক্ষা। প্রতিকূলতা আর চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি যেন শেখ হাসিনার আপনজন। পারিবারিক জীবনের ইতিহাসের দিকে যান। বাবা দেশের মানুষের ভালোবাসার কাঙাল। দেশের মানুষকে ব্রিটিশদের নির্যাতন-নিপীড়নের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া, সফলও হলেন। কিন্তু আশা পূরণ হলো না। আপনজন, আত্মার বাঁধন, মায়ের ভাষায় পরিপুষ্ট মানুষগুলো আবার এক ষড়যন্ত্রের গর্তে। কুখ্যাত পাকিস্তানিদের হাত। প্রাণের থেকেও আপন, আত্মার বাঁধন এই মানুষগুলোকে বাঁচানোর জন্য দিন রাত নির্ঘুম পরিশ্রম পরিকল্পনায় ব্যস্ত বাবা।কোথায় পরিবার, কোথায় পরিজন,কোথায় স্ত্রী, সন্তান...? পূর্ব বাংলার নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষগুলোই বাবার পরিজন, পরিবার। তাইতো বাবার কাছ থেকেও তেমনটি সময় পাওয়া হয়নি শেখ হাসিনার। মা আগলে রেখেছিল। বাবার জীবনের গল্প গুলো কাছ থেকে অনুভব করার শিক্ষা দিয়েছে সন্তানদের। বাবা কিভাবে যুদ্ধকে সঙ্গী করে যুদ্ধ জয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছে? কিভাবে যুদ্ধকে মনের সাথে বেঁধে জয় করতে হয় সেই শিক্ষাও বাবা-মার কাছ থেকেই পেয়েছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু যুদ্ধ আর পরীক্ষার ও তো একটা মাপকাঠি আছে। কখনো কখনো সেই মাপকাঠিকেই অতিক্রম করেছে।

বাঙালি জাতির মুখের ভাষা, ভাষা থেকে দেশ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বাবা বঙ্গবন্ধুকে কতরাত, কতদিন, কত ঘন্টা, কত মিনিট, কত সেকেন্ড যে জেলের ওই অন্ধকার কুপে থাকতে হয়েছে তা হয়তো পরিবার ছাড়া এই অনুভূতি, কষ্টের মাপকাঠি অন্য কারো হতে পারে না। এই পরীক্ষা দিতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে। জয়ী হয়েছে। কিন্তু কুখ্যাত স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আর দলের ভেতরে থাকা আদর্শহীন খুনি মোশতাকের ষড়যন্ত্রে জেনারেল জিয়াউর রহমান মিলে জাতির পিতাকে হত্যা  করে। এ কি পরীক্ষা? পুরো পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা? গর্ভধারিনী মা, ভাই, ভাবি, থেকে শুরু করে চাচা কাউকে খুনিরা বেঁচে রাখেনি। এই পরীক্ষারও সম্মুখীন হতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে। এখানেই থেমে থাকেনি খুনিরা। পিতা হত্যার বিচার পায়নি বরং হত্যার বিচার যাতে না হয় সেজন্য জেনারেল জিয়াউর রহমান কালো আইন করে।

এখানেই থেমে থাকেনি শেখ হাসিনার জীবনের পরীক্ষা। পুরো পরিবারকে যখন শেষ করে দিয়েছে খুনিরা তখন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে ছিল বিদেশের মাটিতে দুই কন্যা। ভাবা যায় দুদিন আগেও যারা বঙ্গবন্ধুর নামে বঙ্গবন্ধুর হয়ে কত কিছু করেছে, কত কিছু চেয়েছে পিতা সহ পুরো পরিবার হত্যা শিকার হওয়ার সাথে এক মুহূর্তে চোখ ঘুরিয়ে ফেলে সুবিধাভোগীরা। আশ্রয়ও দিতে চাইনি দুই কন্যাকে। কত কষ্টে বিদেশে এক দুয়ার থেকে আরেক দুয়ারে যেতে হয়েছে দীর্ঘ ছয় বছর। অবশেষে জীবন মৃত্যু পরোয়া না করে মৃত্যুকে সঙ্গী করে দেশের মাটিতে ফেরেন ৮১ সালের ১৭ই মে। ক্ষমতায় মেজর জিয়া। বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে আসার আগে থেকেই মেজর জিয়া প্রচার করতে থাকে দেশের মাটিতে নামলেই বাবার মত শেখ হাসিনাকে হত্যা করা হবে। এত কিছুর পরেও বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশের মাটিতে পা রাখেন। তখন নিরঝুম বৃষ্টি দেশের মাটিতে। আকাশ বাতাস সবাই মিলে একসাথে শেখ হাসিনাকে যেন বার্তা দিল এই বৃষ্টি, এই ঝড় শুধু বৃষ্টি ঝড়ের মধ্যেই সংজ্ঞায়িত নয়। এই বৃষ্টি ঝড় আপনাকে বার্তা দিচ্ছে আজ থেকে  দেশের মাটি হবে কলঙ্কমুক্ত। এক মুহুর্ত শান্তিতে থাকতে দেয়নি একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা।

বাবার স্মৃতি বিজরিত ৩২ নম্বর বাড়ি, যেখানে বাবাকে হত্যা করেছিল খুনিরা, সেই বাড়িটিও ঘিরে রেখেছিল খুনিরা। ঢুকতে দেয়নি সেখানে। বাবার জন্য দোয়াও করতে দেয়নি,....। এ কি পরীক্ষা? শত কষ্ট আর বেদনা নিয়ে বাহিরে বসেই বাবা মায়ের জন্য পরিবারের জন্য দোয়া করতে হয়েছে। শপথ নিয়েছে খুনিদের বিচার করার। থেমে থাকেনি কখনো। শত শত প্রতিকূলতা আর জীবন-মৃত্যুর পরীক্ষা দিতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে ২১বার। শত্রুদের টার্গেট ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। হত্যা করতে পারলেই তাদের মিশন সফল। কারণ ষড়যন্ত্রকারী গুষ্টির পরিচয়টি ছোটখাটো না? এরা বাহান্নতে পরাজিত হয়েছে, এরা ৫৪তে পরাজিত হয়েছে, ৬২ তে পরাজিত হয়েছে, ৬৬তে পরাজিত হয়েছে, ৭০এ পরাজিত হয়েছে, একাত্তরে পরাজিত হয়েছে। এরা তো সেই, যারা ত্রিশ লক্ষ শহীদের হত্যা করেছে, যারা দু'লক্ষ মা বোনদের ধর্ষণ করেছে, জাতির পিতাসহ, জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। এরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষগুলোকে দিনের-পর-দিন হত্যা করে চলেছে, এরা সেই গোষ্ঠী যাদের উদ্দেশ্য শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারলেই এতগুলো ইতিহাসের মিশন সাকসেসফুল হবে। কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে। বাবার সকল আদর্শই ধারণ করে বেড়ে ওঠা সন্তান শেখ হাসিনা, তাকে পরাজিত করবে এমন কোন শক্তি আছে? নেই? এজন্যই আল্লাহ পাকের  কৃপায় শত্রুরা বারবার ষড়যন্ত্র করলেও হত্যা করতে পারেনি কখনো শেখ হাসিনাকে।

জেনারেল এরশাদ বহুবার চেষ্টা করেছে হত্যার, একানব্বই সালে ক্ষমতায় এসে জেনারেল জিয়ার পথেই হাঁটেন খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া। তাদের মিশন হয়ে ওঠে শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারলেই দেশটি আবার পাকিস্তানি কায়দায় ফিরে যাবে, পাকিস্তানের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হবে এটাই তাদের উদ্দেশ্য। তাইতো শত্রুরা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার পরও কোটালীপাড়ায় বোমা হামলা করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। রাখে আল্লাহ মারে কে। আল্লাহ পাক হয়তো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যই বারবার ষড়যন্ত্র হওয়ার পরেও রক্ষা করে চলেছেন। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ার মিশন হয়ে উঠে একটাই, শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট পরিকল্পনা নিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বোমা হামলা করে একাত্তরের পরাজিত শক্তির পৃষ্ঠপোষক বিএনপি জামাত জোট। এই দেশ শহীদের রক্তের দেশ, এই দেশ বঙ্গবন্ধুর রক্তের দেশ, এই দেশের আদর্শকে কেউ হত্যা করতে পারবেনা।

এই আদর্শই শেখ হাসিনা। এভাবেই একের পর এক পরীক্ষার সম্মুখীন হন শেখ হাসিনা। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে সারাদেশে চলে বিএনপি-জামাতের নৃশংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, হত্যার মতো জঘন্য নিলা খেলা। ভোট ছাড়াই আবার ক্ষমতায় আসার সকল পথ তৈরি করে রেখেছিল বিএনপি-জামাত জোট। অন্যায় অত্যাচার নিপীড়ন দুর্নীতি, হত্যা খুন নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরের নাম শেখ হাসিনা। দুই কোটি ভুয়া ভোটার তৈরি করে ক্ষমতায় আসার সকল আয়োজন সম্পন্ন করে বেগম খালেদা জিয়া। কিন্তু তা হতে দেয়নি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ। একাত্তরের পরাজিত শক্তির বংশধরদের চুলচেরা বিশ্লেষণ। এতবার হত্যার জন্য হামলা করা হলো তবু হত্যা করতে পারলাম না। তারা যেন আঁটঘাট বেঁধে নেমে পড়লো, কিভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে ফেলা যায়। অবশেষে আশ্রয় নিল, আবারো আদর্শহীন পাকিস্তানপন্থী সামরিক বাহিনীর উপর। মিথ্যা মামলা দায়ের করে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের সকল আয়োজন সম্পন্ন করে। শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার উদ্দেশ্যই হল, গণতন্ত্রকে হত্যা করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করা, সর্বোপরি বাংলাদেশকে পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম করা।

৩৪ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের মতো একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়াটা মোটেও সোজা কথা ছিল না। সে সময় প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশ, পুরুষশাসিত সমাজে রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাঁকে বহু প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলা করতে হয়েছে। নিজ দলের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতাও খুশি ছিলেন না কম বয়সী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে। ষড়যন্ত্র হয়েছে দলের ভেতরে-বাইরে। কিন্তু দমে যাননি তিনি। বাবার শেখানো দূরদর্শী নীতি আর মায়ের থেকে পাওয়া দৃঢ়তা দিয়ে কাটিয়ে উঠেছেন সকল প্রতিবন্ধকতা। 

পিতার স্বপ্ন পুরণে সোনার বাংলা বাস্তবায়নে যখন শেখ হাসিনা বলিষ্ঠ নেতৃত্ব নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনই আবারও সেই কালপ্রিটদের দল। ইতিহাসে আবিভাব হয়েছিল আরো দুজন পিশাচ পুরুষ ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীন। শত ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকলেও বড় ষড়যন্ত্রটি সংগঠিত হয়েছিল ১৬ জুলাই' ২০০৭। সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার, সুবিধাবাদী সুশীলরা পরিকল্পিতভাবে শুধু রাজনীতি থেকে নয় বাংলার মাটি থেকে শেখ উৎখাত করার ষড়যন্ত্র নিয়েই গ্রেফতার করা হয়েছিল শেখ হাসিনাকে। থেমে থাকেনি ক্ষমতা পিপাসু আওয়ামী লীগে মোশতাকপন্থীরা। দেশি বিদেশি চক্রের সাথে আওয়ামী লীগ এর মোশতাক পন্থীরাও সোচ্চার হয়ে ওঠে শেখ হাসিনাকে চিরবিদায় করে দিয়ে কে হবে প্রধানমন্ত্রী, কে হবে আওয়ামী লীগ সভাপতি এই এজেন্ডা নিয়ে। যেমনটি পরিলক্ষিত হয়েছিল ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট এর পর। সেই সাথে থেমে থাকেনি প্রথম আলো, ডেইলি ষ্টার সম্পাদক মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনামরা। শেখ হাসিনাই যেন তাদের একমাত্র পথের কাঁটা এবং যা এখনো অব্যাহত। একের পর এক ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দিতেই থাকে কুচক্রী মহল। মামলাকারী নিজেই জানে না কিসের ভিত্তিতে এসব মামলা। গ্রেপ্তার হন গণমানুষের নেতা শেখ হাসিনা। বিভিন্ন ভাবে শেখ হাসিনাকে শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর রক্ত হবার কারনে, সুযোগ্য উত্তরসূরি হবার কারনে ওয়ান ইলেভেন এর সেই কুচক্রী সুশীলরা শেখ হাসিনাকে বিদায় করে দেবার চরম অপচেষ্টা চালায়। এবং সেটিকে অব্যাহত রেখে ১৬ জুলাই ভোর রাতে ধানমন্ডির সুধা সদন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় গণমানুষের নেতা শেখ হাসিনাকে। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই, ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কিছু উচ্চভাষী সুশীলের প্ররোচনা আর বিশ্বাসঘাতক কিছু মোশতাক পন্থি আওয়ামী লীগ নেতাদের ষড়যন্ত্রে রাজনীতি থেকে তথা বাংলার মাটি থেকে চিরজীবনের জন্য বিদায় করে দিতে হত্যার উদ্দেশ্য মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। কিন্তু, সারা বাংলার আপমর জনসাধারণ এর ভালবাসা যার সাথে রয়েছে, যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরি যিনি তাঁকে জেলে আটকে রাখবে এমন সাধ্য আছে কোন ফ্যাসিবাদীদের। জেলে আটকে রাখতে পারেনি তারা। শেখ হাসিনার আকাশ্চুম্বি জনপ্রিয়তার কাছে হার মেনেছে বারংবার, হার মেনেছে হাজার বার। তবে থেমে থাকেনি হত্যা ষড়যন্ত্র। গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা এমন কি তাকে বহনকারী বিমানের স্ক্রু ঢিল করে রেখেছিল ষড়যন্ত্রকারীরা।

রাখে আল্লাহ্‌ মারে কে....?? মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কঠিন মুহূর্তেও দেশবাসীর উদ্দেশ্য লেখা চিঠিতে প্রকাশ করেছিলেন প্রিয় জনগণের প্রতি দায়িত্ব ভালবাসার কথা

প্রিয় 
দেশবাসী 
-------- 
আমার সালাম নিবেন। আমাকে সরকার গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় জানি না। আমি আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই সারাজীবন সংগ্রাম করেছি। 

জীবনে কোন অন্যায় করিনি। তারপরও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। উপরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও আপনারা দেশবাসী আপনাদের উপর আমার ভরসা।

আমার প্রিয় দেশবাসী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন কখনও মনোবল হারাবেন না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। যে যেভাবে আছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুক্ষে দাঁড়াবেন। মাথা নত করবেন না। সত্যের জয় হবেই। আমি আছি আপনাদের সাথে আমৃত্যু থাকব। আমার ভাগ্যে যা-ই ঘটুক না কেন আপনারা বাংলার জনগনের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান। জয় জনগনের হবেই।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বই। দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবই।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
শেখ হাসিনা
১৬/০৭/২০০৭

সকল ষড়যন্ত্র দক্ষতার সহিত মোকাবেলা করে দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রেখে করোনার এই প্রাদুর্ভাব কালেরও দেশের মানুষকে রক্ষা করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দক্ষ হাতে দক্ষ মাঝির উড়ানো পালের দিশা আমাদের নিয়ে যাচ্ছে উন্নত থেকে উন্নত তর বাংলাদেশের দিকে। আজকের দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করছি।

লেখকঃ সহকারী অধ্যাপক গণিত বিভাগ, সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও পরিচালক, বঙ্গবন্ধু চর্চাকেন্দ্র বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর। শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ