কতদূর যেতে পারবেন শেখ হাসিনা?

  আবদুল মান্নান

১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা নৌকা মার্কার প্রার্থীরা এক ঐতিহাসিক বিজয় পেলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বার আর সর্বমোট চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। মন্ত্রিসভায় বেশির ভাগ পুরনো পোড় খাওয়া অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের বাদ দিয়ে একেবারে নতুনদের নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। যাঁরা মন্ত্রিসভায় এসেছেন, তাঁদের সবারই ব্যক্তিগত সততার একটা সুনাম আছে। হয়তো অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে। এরই মধ্যে একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনও শুরু হয়ে গেছে। এখন অনেকের স্বাভাবিক প্রশ্ন—বঙ্গবন্ধুকন্যা এখান থেকে আর কতদূর যেতে পারবেন। নির্বাচনের পর স্বাভাবিকভাবে বিএনপি আর তার মিত্ররা নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সঙ্গে তাদের সবজান্তা বুদ্ধিজীবী ও ‘সুশীল’ স্বজনরাও সুর মিলিয়েছেন; কিন্তু বাস্তবটা হচ্ছে বিএনপি তো এই নির্বাচনে বিজয় লাভ করার জন্য অংশগ্রহণ করেনি। করেছে তাদের নিবন্ধন বাঁচানোর জন্য। আর তাদের সহায়তা করেছেন রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর কৃপাধন্য ড. কামাল হোসেন। তাঁকে সহায়তা করেছেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম, গণতন্ত্রের স্বঘোষিত ধ্বজাধারী ডা. জাফরুল্লাহ আর জাসদের আ স ম আবদুর রব। অনেকে বলে থাকে ড. কামাল হোসেন গং বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য এক অদৃশ্য উৎস থেকে বিপুল অঙ্কের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন। অবশ্য এ কথার নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র পাওয়া কঠিন। তবে যতই একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা বলুক বা প্রশ্ন তুলুক, এরই মধ্যে সারা বিশ্ব এ নির্বাচনকে বৈধতা দিয়েছে, বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কারণ সবাই জানেন, এ মুহূর্তে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতা বলতে একজনই আছেন—তিনি শেখ হাসিনা। তাঁর সাহস আছে, আছে দূরদৃষ্টি, দৃঢ়তা ও রাজনৈতিক উদারতা। এসবের সংমিশ্রণে তিনি হয়ে উঠেছেন জাতির পিতার রক্তের যোগ্য উত্তরাধিকার।

শেখ হাসিনা পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের হত্যাকাণ্ডের পর ছয় বছর নির্বাসিত জীবন যাপন করে দেশে ফিরেছিলেন ১৯৮১ সালে এক ছিন্নমূল উদ্বাস্তুর মতো। তখন থেকেই বলতে গেলে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু, যদিও তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্ররাজনীতি করেছেন। দেশে ফেরার পর থেকে পাহাড়সম প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে তিনি নানা চড়াই-উতরাই পারি দিয়ে বাংলাদেশের সব দলের সব রাজনৈতিক নেতাকে পেছনে ফেলে তাঁর প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে একজন সফল রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও স্বীকৃতি পেয়েছেন একজন রাষ্ট্রনায়ক বা স্টেটসম্যানের। যতই তাঁর প্রতিপক্ষরা হৈচৈ করুক, এ মুহূর্তে তাঁর সমকক্ষ কোনো রাজনৈতিক নেতা যে বাংলাদেশে নেই, তা তো অনস্বীকার্য। বলতে গেলে শেখ হাসিনা রূপকথার সেই ফিনিক্স পাখির মতো ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে এসেছেন বাংলাদেশের প্রয়োজনে। তিনি এ মুহূর্তে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনের ফলে তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তবে যেকোনো দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকাশের জন্য প্রয়োজন এক বা একাধিক দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল, যা এ মুহূর্তে বাংলাদেশে অনুপস্থিত। এ কারণেই বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগকে খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে হবে।

দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন, সেটি ছিল অনেকটা ছত্রভঙ্গ আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর জিয়া আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়াটা অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দুই জীবিত কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করলে তা ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’মূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য করা হতো। দলের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় চার নেতাকে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারা অভ্যন্তরে হত্যা করা হয়েছে। কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছেন। কয়েকজন আবার জিয়ার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন, কারাবন্দি হয়েছেন অনেকে। কিন্তু আওয়ামী লীগের মূল শক্তি ছিল তার নিঃস্বার্থ তৃণমূল নেতাকর্মীরা। বঙ্গবন্ধু আর আওয়ামী লীগের প্রতি যাদের আনুগত্য ছিল প্রশ্নাতীত। এই তৃণমূল নেতাকর্মীদের ওপর ভর দিয়ে শত ঝড়ঝাপ্টা মোকাবেলা করে শেখ হাসিনা দলকে চারবার ক্ষমতায় নিয়ে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যার বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৩ সালে, যখন তাঁর বয়স হবে ৭৭ বছর। তত দিনে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে শেখ হাসিনার নাম উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে যাবে; যদিও তাঁর দলের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা চাইবেন তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকুন। বাস্তবটা হচ্ছে, এখন থেকে শেখ হাসিনাকে তাঁর এবং দলের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতিতে হাত দিতে হবে। কারণ অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের তেমন কোনো বিকল্প দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাম দলগুলোর একটা সম্ভাবনা ছিল; কিন্তু তা হয়নি। কারণ তারা বাস্তব জগতে বাস করে না। নিজেরা বিভক্তির রাজনীতির শিকার হয়ে বর্তমানে অনেকটা ছত্রভঙ্গ বাকসর্বস্ব ব্যক্তি, উপদল আর কোন্দলে রূপান্তরিত হয়েছে। এমতাবস্থায় ও বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনাকে আর পেছনে ফিরে থাকাতে হবে না। তাঁর সামনে এখন সময় ও সুযোগ এসেছে ইতিহাসে তাঁর নিজের অবদানকে আরো সমৃদ্ধ করে রাখার জন্য বাড়তি কয়েকটি অনুচ্ছেদ যোগ করার।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নিজের জন্য একটি স্থায়ী আসন তৈরি করে নিয়েছেন এরই মধ্যে। তাঁকে আরো চিরস্থায়ী করতে হলে তাঁকে শুরু করতে হবে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের আগে তিনি যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন তার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ। কয়েকটি বিষয়কে জরুরি ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সমাজ ও সরকারের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতির উচ্ছেদ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে পুনর্বিন্যাস। এসব বিষয়কে নির্বাচনী ইশতেহারে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এখন বাস্তবায়নের সময়। এসব কাজ হয়তো অপ্রিয়; কিন্তু তা করতে গেলে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের হারানোর কিছুই নেই।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্যান্সারতুল্য ব্যাধি দুর্নীতি। এটি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে সমাজকে নৈতিকভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া সরকারের এমন কোনো মন্ত্রণালয় বা দপ্তর নেই, যেখানে দুর্নীতি হয় না। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, দেশের গরিব, খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ দুর্নীতি করে না। দুর্নীতি করে শিক্ষিত, পেশাজীবী আর সমাজের উচ্চবিত্তরা। দুর্নীতির দায়ে তিনি অনেক সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তা ছাড়া একাধিক দলীয় সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন। তখন দুর্নীতি হতো ১০, ২০, ১০০ বা হাজার টাকার। বর্তমানে তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে শতকোটি টাকার। তখন দুর্নীতি হতো রিলিফের কম্বল বিতরণ নিয়ে। এখন দুর্নীতি হয় সম্পূর্ণ ব্যাংক লোপাট নিয়ে। শিক্ষা নিয়ে দুর্নীতির কথা তখন অজানা ছিল। বর্তমানে শিক্ষা নিয়ে দুর্নীতি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলের তুলনায় তাঁর কন্যার শাসনামলে বাংলাদেশের মুদ্রা সরবরাহ বেড়েছে কয়েক হাজার গুণ, যার ফলে দুর্নীতির আকারও বেড়েছে। দুর্নীতিতে শুধু অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা হয়, তা নয়। সরকারি দপ্তরে মাসের পর মাস ফাইল ধরে রাখা, অফিসে নিয়মিত না এসে বেতন নেওয়া, সরকারি গাড়ি বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা, অনুমোদন ছাড়া পারিবারিক কাজে ব্যবহার করা, শিক্ষকের সময়মতো ক্লাসে না আসা—এসবই দুর্নীতি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আবজাল হোসেনের মতো একজন ৩০ হাজার টাকার কর্মচারীর হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি তো অসংখ্য উদাহরণের একটি। ২০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করে লাখ টাকার বেতনের স্কুলে কাদের বাচ্চারা পড়ালেখা করে তার একটু খোঁজ নেওয়া যায় না? কোনো একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ডসভায় সিটিং অ্যালাউন্স লাখ টাকা, তা কি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে? তেমন প্রশ্ন তো করা যেতেই পারে।

দুর্নীতির সঙ্গে সুশাসন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুশাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে মেধার লালন। তা কি সর্বক্ষেত্রে হচ্ছে? চাকরি বাণিজ্য শব্দটি এখন বহুল প্রচলিত। তা থেকে বের হওয়া কি অসম্ভব? প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে যে হাজার কোটি টাকা বাইরে পাচার হচ্ছে, তা কোথা থেকে আসে, কারা পাঠায়? মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর অথবা কানাডায় কারা পরিবারের জন্য সেকেন্ড হোম বানায়? তা জানা কি অসম্ভব? সুশাসনের আরেকটি পূর্বশর্ত আইনের শাসন। গরিব মানুষের জন্য বিচারব্যবস্থা নাগালের বাইরে। তা যদি না হবে, তাহলে একজন ছিন্নমূল জাহালম কিভাবে বিনা অপরাধে তিন বছর জেল খাটলেন? এমন উদাহরণ আরো অসংখ্য আছে।

যারা নানা প্রকারের অপরাধ করে পার পেয়ে যায়, বলা হয় তাদের হাত অনেক লম্বা। আইনের হাতের চেয়ে কারো হাত তো লম্বা হওয়ার কথা নয়। শেখ হাসিনা এসবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেশের মানুষকে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কতদূর যেতে চান। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে তিনি অন্যদের একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দিতে চেয়েছেন। অবৈধ কাজ যে বা যারাই করুক, কাউকে ছাড়া হবে না। একটি সঠিক মেসেজ। বঙ্গবন্ধুকন্যাকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। বঙ্গবন্ধুকন্যাকে আরো অনেক দূর যেতে হলে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে। আর তা হচ্ছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার খোলনলচে পাল্টে ফেলা। আমরা ২০২১, ২০২৪, ২০৪১-এর স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য চাই সঠিক শিক্ষা, যে শিক্ষা বর্তমান প্রজন্মকে একটি নতুন, জ্ঞাননির্ভর যুগে প্রবেশ করতে সাহায্য করবে। ২০১০ সালে একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছিল। শুরু হোক না তার বাস্তবায়ন দিয়ে। বর্তমান প্রজন্মই তো নির্মাণ করবে ওই বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। আর যার জন্য ৩০ লাখ মানুষ নিজের বর্তমানকে উৎসর্গ করেছিল।

শেখ হাসিনা সুযোগ পেলেই রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা ‘Stopping by woods on a snowy evening’ আবৃত্তি করেন। সেখানে কবি লিখেছেন কবিতার চারটি লাইন ‘The woods are lovely,/dark and deep,/But I have promises to keep,/And miles to go before I sleep,/And miles to go before I sleep.’

হ্যাঁ, শেখ হাসিনাকে এখনো যেতে হবে অনেক দূর। ইতিহাসের অমরত্ব তাঁকে হাতছানি দিচ্ছে। তবে তাঁকে পা ফেলতে হবে সাবধানে। তাঁর চারপাশে যাঁরা আছেন তাঁরা সবাই তাঁর চলার পথ নির্বিঘ্ন হোক, তা না-ও চাইতে পারেন। ইতিহাস শেখ হাসিনার জন্য স্থান নির্ধারণ করে রেখেছে। তিনি সেই ইতিহাস সৃষ্টি করবেন। পরবর্তী প্রজন্ম তা লিখবে। অন্য প্রজন্ম তা থেকে শিখবে—সাহস, দৃঢ়তা আর দূরদৃষ্টি কাকে বলে।

লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food