বিলবোর্ড- প্রতিবাদ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ মে ২০১৮, ১৭:৪৪

ফজলুল রহমান, ০৭ মে, এবিনিউজ : এক. আমাদের দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ । সহজ সরল। ধর্মীয় ওস্তাদদের, গুরুদের সবাই পছন্দ করে। তিনি যে ধর্মের হোননা কেন। ধর্মের প্রতি আমার অনেক আগ্রহ। আমার ধর্মকে জানতে আমি লেখাপড়া করি। অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কেও জানার আগ্রহ আছে। তুলনামূলক ধর্মতত্ব বা কমপ্যারিটিভ রিলিজিয়াস স্টাডি নিয়ে অনেকের আগ্রহ আছে। ধার্মিক ব্যক্তি সমাজকে পথ দেখাতে পারে। কিছু কিছু ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের আচার আচরন নিয়ে মাঝে মাঝে প্রশ্ন ্‌উঠে, যেমন গুরমিত রাম রহিম, আসারাম। উনারা নিজেদের গডম্যান দাবী করতেন।মুসলিম ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কারো সমালোচনা শোনা যায়না, তা নয়। ক্রীস্টান, ইহুদিদের মধ্যেও আছে। আমার কাছে ইসলামের বানী খুব মূল্যবান মনে হয়।

গৌতম বুদ্ধ মানুষের বাহ্যিক আড়ম্বরতার চাইতে মানসিক উৎকর্ষ সাধনের চেষ্টা করতে বলেছেন। বুদ্ধের শিক্ষা হচ্ছে, মানুষ জন্মের সংগে কিছু “বিকার” নিয়ে জন্মায়। ওসব হচ্ছে রিপু। রিপু হল– লোভ, হিংসা, মোহ, কাম, ক্রোধ, পরশ্রীকাতরতা। রিপুর তাড়নায় মানুষ অন্যায় করে। পাপ করে। রিপুর উৎপত্তিস্থল হচ্ছে মানুষের চিত্ত বা মন। রিপু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে, সংযম লাগবে। মনকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে। মনের গভীরে গহীনে প্রবেশ করতে হবে। যার চিত্ত সংযত, তার আচরণ হবে বিনম্র। আপনার দরকার হবে, বিনম্র আচরন। সংযত মন। সুখী জীবন। কিন্তু কেউ ধর্মের আওয়াজ কানে নিচ্ছেনা। নিলে ভাল হতো। পুলিশ দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হতোনা। মানুষকে অপরাধ থেকে দুরে রাখা– ধর্মের প্রচেষ্টা। আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করি। নিজের জন্য সম্পদ জমা করিনা।

ইসলাম আমার ধর্ম। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম বলে, সংযত থাক। পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়িওনা। অহংকার করোনা। তাকওয়া অবলম্বন কর। বিনম্র সংযমী হও। আল্লাহকে ভয় কর। ক্ষমাশীল হও। ভাল কাজ কর। ভাল কাজের নির্দেশ দাও। নামাজ পড়। ইবাদত করো। আয় হতে নির্ধারিত অর্থ সম্পদ দান কর, যাকাত দাও। মিথ্যা বলোনা। মানুষকে ঠকিওনা। আমি পরকালে বিশ্বাস করি। এটা আমার ঈমানের অংগ। আমি দুনিয়ার ধন সম্পদ চাইনা। আমি আল্লাহর নৈকট্য পেতে চাই। পরকালের সাফল্য চাই। অসৎ পথে অর্থবিত্ত পেতে চাইনা। ধর্ম মেনে চলি।

কিন্তু এখন অনেক ধর্মীয় বানী ও তত্ত্বকথা মানুষ শোনেনা। আমি আমার সন্তানদের বঞ্চিত করে, নিজের পরিশ্রমের কথা চিন্তা না করে, কিছু আপন লোককে মানুষ করেছি। খাদ্য আশ্রয় শিক্ষা দিয়েছি। চাকুরীতে ঢুকিয়েছি। তারা অনেক উপরে উঠেছে। এখন তারা আমাকে পাত্তা দেয়না। আমাকে ঠকাতে চায়। এ যুগে এটা (অকৃতজ্ঞতা) কি বেশী হচ্ছে? আমি তাদের জন্য বদদোয়া করিনা, যে আমাকে কষ্ট দিচ্ছে, তাকে আমি কষ্ট দিবোনা। প্রতিশোধের ইচ্ছাও রাখিনা। আল্লাহ, যাকে ইচ্ছা লাঞ্চিত করেন, যাকে ইচ্ছা তাকে সম্মানিত করেন। এখন ভাই– আর ভাই নাই। বোন– আর বোন নাই। একজন আরেকজনকে ঠকায়। তবে আল্লাহর বিচার নিখুঁত। আমি আখেরাতে পুরস্কার চাই। দুনিয়ার শান্‌ শওকত চাইনা। ধর্ম আমার মনে শান্তি দেয়। গভীর ধ্যানের মধ্য দিয়ে মনের গভীরে প্রবেশের চেষ্টা করি। তখন আমার মনে হয়, আল্লাহ– চাইলে কল্যাণের ঝর্ণাধারা বইয়ে দিতে পারেন।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য ঘটনা দ্বারা প্রকৃতি– মানুষের মনের গতি– প্রকৃতিকে চালায়। এভাবে তার মোটিভ তৈরী হয়। মানুষের মনোভাব তার আচরন নিয়ন্ত্রন করে। ডিএনএ– ও এখানে ভূমিকা পালন করে। ধর্মের অনুশাসন আমাদের আচরন প্রভাবিত করছে? শিক্ষাকি মানুষকে বদলায়? যদি তাই হয়, তাহলে এখন মানুষ এত ক্রাইম করছে কেন? কেন পুলিশ দিয়ে অপরাধীকে পেটাতে হয়? পুলিশ ছাড়া কেন দেশ চলেনা?

দুই. বৌদ্ধ ধর্মালম্বী অনেকের সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে। উনাদের কাছ থেকে জেনেছি, বৌদ্ধরা ক্রোধ সৃষ্টি করেননা। উনারা শান্ত থাকেন। নরম প্রকৃতির মানুষ। একটি জাতীয় দৈনিকে (৩০ এপ্রিল) সংবাদ দেখি ঃ সংঘর্ষের জেরে বন্ধ বৌদ্ধ পূর্ণিমার অনুষ্ঠান। দুই দল অনুসারীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে, বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডীবাজাবির চর জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহারে। পুলিশ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এসব কেন হয়? ধর্ম নিয়ে হানাহানি কেন? বৌদ্ধরা না শান্ত?

ভারতের ধর্মগুরু আসারাম, গুরমিত রাম রহিম উনাদের শিষ্য অনুসারীকে ধর্ষণের পর ধর্ষণ করেছে। আর বলেছে গড্‌ম্যানদের জন্য ধর্ষণ পাপ নয়। মুসলমানদের মধ্যেও হানাহানি আছে। যারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান চালান, তারা কেন ধর্মের অনুশাসন মেনে চলেননা?সবাই ধর্ম মানলে পুলিশ দিয়ে অপরাধ ঠেকাতে হবে কেন? শবেবরাতের রাতে এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাগর সৈকতে গিয়ে খুন হলো, মা বাবা কোথায় ছিল? রহস্য কি? শবেবরাত কত পবিত্র রাতআমাদের জন্য? ভাবতে পারেন? মহান রজনীতে ঘরে ইবাদত করার কথা ছিল। পুলিশ কি সকল ক্রাইমের হদিস বের করতে পারছে? এটা সম্ভব? সাগর রুনী, তনু হত্যা কান্ড, এসব কেসের কি হল? খুন ধর্ষন বাড়লে মানুষ সোচ্চার হয়।বলে, পুলিশ করছে কি? মানুষ কথা বলবেই। কে– ধর্ষক, ছিনতাইকারীর হাতে পড়তে চায়? আমরা ট্যাক্স দিই, সরকার আমাদের নিরাপত্তা দিন। সিডিএর চেয়ারম্যান সাহেব চট্টগ্রামের উন্নয়ন করছেন– এটা ঠিক। তিনি বিলবোর্ড লাগিয়ে বাহবা নিচ্ছেন, বাহবা নিন– ঠিক আছে। তিনি ভাল মানুষ কিন্তু চট্টগ্রামের ঢোকার মুখে অন্তত একটি বিলবোর্ড লাগান তাতে করদাতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে লিখুন, “করদাতারাই উন্নয়নের প্রাণ।” সবাই নিজেকে ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে রাখতে চায়, জনগণের প্রতি কারো নজর নাই। টাকার মোহে, ক্ষমতার মোহে মানুষ বদলে যায়।

তিন. দেশী বিদেশী ফিচার লেখকদের নিবন্ধ পাঠ করা আমার অভ্যাস। গানের কিছু কম্পোজিশন ভাল লাগে। কিছু কিছু ফিল্ম ও দেখি। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনি এসব কাজ করতে পারেন। আমি কোন লেখকের বক্তব্যের সাথে একমত না হতে পারি, কিন্তু উনার লেখা ভাল লাগতে পারে, ঝরঝরে মনে হতে পারে। যে লেখা ভাল লাগে সেটা মনযোগ দিয়ে পড়ি। এক সাংবাদিক আমাকে বলেন, আপনাদের এলাকায় খুন খারাবী বেড়ে গেছে। আসামী ধরা পড়েনা। আমি বলি, কেউ ধরা পড়ে, কেউ ধরা পড়ে না। কারো হাত বাইশ বা বত্রিশ হাত লম্বা। সাংবাদিক বলেন, আপনারা লেখকরা পুলিশকে কিছু বলেন না কেন? আমি বলি, আমরা লেখকরা চাইনা, খুনী রাজনৈতিক প্রশ্রয় পাক। সাগর রুনীর হত্যাকারী ধরা পড়ে নাই। তনুর হত্যাকারী ধরা পড়ে নাই। ধর্ষকের, খুনীর শাস্তি না হলে সমাজ বরবাদ হয়ে যাবে। এলাকায় এলাকায় “কিশোর গ্যাং” তৈরী হচ্ছে। নাইন– টেনের বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে “গ্যাং স্টার”, “ডন”। আমি সাংবাদিককে বলি, আপনি আমার মতো লেখকের কাছ থেকে বেশী আউটপুট আশা করেন কেন? আমার লেখা পুলিশের কানে ঢুকবে না। আমি শক্তিশালী লেখক নই। আমাদের এলাকায় একটা ছেলেকে মেরে ফেলল, খুনী ডেসপারেট, খুনী ধরা পড়লো না। আমরা কি– চাই,কাউকে রাজনৈতিক ভাবে আড়াল করা হোক? যে খুন হলো, তার মা কান্দে, তার কিশোরী বৌ কান্দে। তার বোন কান্দে। অবুঝ শিশু কান্দে– বাবা, বাবা—-। আমি আবেগে লেখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি।

মানুষ টাকার জন্য মতার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।এখন সমাজ পুলিশের উপর নির্ভরশীল। ভাল পুলিশ আছে। আমি ক্রাইম সিরিয়াল ও সায়েন্স ফিকশন দেখি। অস্কার পাওয়া ছবি চট্টগ্রামে বসে দেখতে পারি। প্রযুক্তি অনেক এডভান্স। দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় আসিফ নজরুলের একটা লেখা পড়েছি। “থ্রি বিলবোর্ডস আউট সাইড এবিং– মিসৌরী” আন্তর্জাতিক পুরষ্কার প্রাপ্ত ও অস্কার পাওয়া এই বহুল আলোচিত ছবির ডিটেইলস রেফারেন্স তিনি, তাঁর লেখায় দিয়েছেন। অস্কার পাওয়ার আগেই এ ছবি নিয়ে হুলস্থুল শুরু হয়। “কি ভাবে বানায় মানুষ এমন শক্তিশালী ও ধারালো ছবি?”তার লেখায় এরকম মন্তব্য করেছেন আসিফ নজরুল ওই ছবিতে পুলিশ ও সাধারন মানুষের মধ্যে সংলাপ শোনা যায়। সে সংলাপ শোনার মতো। বিশ্বাস করুন। যে সমাজ উন্নত, সে সমাজের মানুষকে আপনি যা– তা বলে বোঝাতে পারবেন না। প্রতিবাদী মানুষ দরকার। মানুষের সমাজতো “এনিমেল ফার্ম” নয়? ধনীরা শোষন করবে। দেশ “গোশালা” হবে, তাতে তাদের কি? অপরাধ রুখতে হবে। সাধারণ মানুষকে পুলিশের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। লেখক সাংবাদিককে কথা বলতে হবে। পুলিশ ব্যর্থ হলে পুলিশকে বলতে হবে, “কি করছ তোমরা”? কিন্তু আমরা তেমন ভাবে সোচ্চার হতে ভয় পাই। পুলিশের শক্তি সম্পর্কে কে না জানে? চার. আমি এবিং বা মিসৌরী সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। খোঁজ খবর নিতে শুরু করি। এবিং– এ ঢোকার মুখে আছে “ড্রিংক ওয়াটার রোড”। রাস্তার আশে পাশে কি আছে– জানতে চাই, এক প্রবাসীর কাছে। সে আমাদের এলাকার ছেলে। আমার ভক্ত। মিসৌরী রাজ্য, তার ছোট একটি শহর– এবিং। ঢোকার মুখে ড্রিংকওয়াটার রোড। বিল বোর্ড কে কেন্দ্র করে ছবি বানাতে কেন অনুপ্রাণিত হলেন– ছবির পরিচালক? “থ্রি– বিলবোর্ডস—” ছবির পরিচালক বলেছেন, টেক্সাসের এক বিশাল প্রান্তরে বিচারের দাবীতে বিশাল বিলবোর্ড দেখে পরিচালক ছবিটি বানানোর অনুপ্রেরণা পান। বিলবোর্ড লিখে বিচার দাবী বিরল হতে পারে, তবে এরকম দু একটা ঘটনা আছে। হয়ত বাংলাদেশে নাই।

ফিল্মের কথায় আসি। ড্রিংকওয়াটার রোডের পাশে আতিকায় তিনটি বিলবোর্ড ভাড়া নিয়েছেন এক মধ্যবয়সী নারী মিলড্রেড। “যে মরে যাচ্ছে, তাকে ধর্ষণ করেছ।” বিশাল তিনটি বিলবোর্ডের একটিতে লেখা আছে, রেপ্‌ড্‌ হোয়াইল ডাইয়িং।” মিলড্রেডের কিশোরী কন্যা সাত মাস আগে ধর্ষিতা এবং খুন হয়েছে। এটা গ্যাং রেপের কেস। এবিং এর পুলিশ কাউকে ধরতে পারেনি। দ্বিতীয় বিলবোর্ডে লেখা আছে, “স্টিল নো এরেস্ট।” এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তৃতীয় বিলবোর্ডে লেখা আছে, হাউ কাম চীফ উইলোবী? উইলোবী? এটি কি করে সম্ভব? মিসৌরী পুলিশের প্রধানের নাম উইলোবী। সাত মাস হয়ে গেছে, মিলড্রেড তার কন্যা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার পাচ্ছে না। পুলিশ চীফকে প্রশ্ন করার জন্য এই নারী– বিলবোর্ডে প্রশ্নসমূহ লিখে দিয়েছে। উইলোবী অবশ্যই বিলবোর্ড দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। তার এক সার্জেন্টকে নিয়ে চীফ গেছেন, বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রধান রেড ওয়েবলি– এর কাছে, যিনি বিলবোর্ড তিনটি ভাড়া দিয়েছেন। পুলিশ সার্জেন্ট এবং ওয়েবলির সাথে কথা কাটাকাটি হয়। সার্জেন্ট, “কি ঘোড়ার ডিম করছ তুমি? মিঃ রেড? অ্যাঁ? বিলবোর্ড দিয়ে ভরে ফেলেছ। এর খেসারত দিতে হবে বোঝ? আগেকার দিনে সিনেমার বিজ্ঞাপনে কিছু ট্রেইলর দেখানোর পর বলত, “বাকীটুকু রূপালী পর্দায় দেখুন।” আপনারা অনেকে জানেন “থ্রি বিলবোর্ডস” এর গল্প কি। আমি কি ভুল বলছি? কে বিলবোর্ড ভাড়া নিয়েছে, বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রধান পুলিশকে তা কিছুতেই বলবে না। মিলড্রেড কে ঝামেলায় ফেলবে না।

আমরা মিলড্রেডের মতো প্রতিবাদ করতে জানি না। সাংবাদিককে বলি, আপনি যদি আমাকে বলেন, হালিশহরের প্রবেশ পথে একটি বিলবোর্ড দিয়ে লিখুন, “হাউ কাম আইজি? স্টিল নো এ্যারেস্ট?” আমি আপনাকে বলব, তেমন সাহস আমি দেখাব না। আমাদের পুলিশের শক্তি সম্পর্কে আমি জানি। আমরা প্রতিবাদ করি না। প্রশ্ন উত্থাপন করি না। সাংবাদিক ভাই, একজন ভাল মানুষকে বিতর্কিত করতে আপনাদের গণমাধ্যমের ও ভূমিকা থাকে। প্রতিবাদহীন সমাজবিস্ময়কর সমাজ। বিলবোর্ড প্রতিবাদ? এখনো শুনিনি এটা কেউ করেছে।

লেখক: সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
(সংগৃহীত)

এই বিভাগের আরো সংবাদ