বাংলাদেশে ‘মুজিব যুগের’ পর ‘হাসিনা যুগের’ বৈশিষ্ট্য

  আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে আমি চিনি এবং জানি তাঁর কৈশোরকাল থেকে। তাঁর রাজনীতির সঙ্গে আমার উত্তর ও পূর্ব মেরুর সম্পর্ক। কিন্তু বয়সে আমার ছোট হওয়া সত্ত্বেও তাঁর পাণ্ডিত্য ও বিশ্লেষণ শক্তিকে আমি শ্রদ্ধা করি। দুর্ভাগ্যের ব্যাপার এই যে যখন সক্রিয় রাজনীতিক হিসেবে তিনি বক্তব্য দেন তখন তিনি চরম সুবিধাবাদী, সত্যের বিপরীত কথা বলেন। অসত্যকে সাজিয়ে-গুছিয়ে এমন মধুরভাবে তুলে ধরতে পারেন যে অসতর্ক মানুষ তাতে সহজেই বিভ্রান্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যখন ছাত্র তখন আমাদের আরেক বন্ধু শফিক রেহমান (পরবর্তীকালে সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের সম্পদক) মওদুদ আহমদকে (তিনিও তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র) নাম দিয়েছিলেন ‘সুইট লায়ার’ বা মধুর মিথ্যাবাদী।

কিন্তু মওদুদ যখন রাজনীতির বাইরে থেকে কোনো বই লেখেন, তিনি সত্যের কাছাকাছি থাকেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তাঁর নিজের দল ও নেতা সম্পর্কে অকুণ্ঠ সমালোচনা থাকে। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলকে মওদুদ আখ্যা দিয়েছেন ‘মুজিব যুগ’

(Majib Era)| এই মুজিব ইরা সম্পর্কে তাঁর বিশ্লেষণ মিথ্যায় ঠাসা নয়, অনেক সত্য তাতে বিশ্লেষিত, তাঁর দলের প্রতিষ্ঠাতা নেতা হওয়া সত্ত্বেও জিয়াউর রহমানের খলচরিত্র তুলে ধরতে তিনি দ্বিধা করেননি। এ জন্য দলের মধ্যে তিনি কোণঠাসা হয়েছেন, খালেদা জিয়ার কাছে বিশ্বাস হারিয়েছেন। দলের এক শ্রেণির নেতাকর্মীর হাতে একসময় নাজেহালও হয়েছেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মধ্যে কিছুটা ম্যাকিয়াভেলিয়ান চরিত্র আছে। ম্যাকিয়াভেলিয়ান চরিত্রকে অনেকে নিন্দা করে। আবার অনেক বড় রাজনৈতিক নেতাও তাঁকে অনুসরণ করতে চান এবং কথায় কথায় তাঁর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেন। মওদুদ আহমদও তাঁর দলের ভেতরে ও বাইরে প্রবলভাবে সমালোচিত। কিন্তু দলের ও দেশের রাজনীতিতে তিনি এখনো শীর্ষস্থানীয়। আমি ইংরেজিতে তাঁর লেখা বইগুলো আগ্রহের সঙ্গে পড়েছি এবং স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনকালকে ‘মুজিব ইরা’ আখ্যা দেওয়ায় এবং সে যুগের রাজনীতি বিশ্লেষণে ক্ষেত্রবিশেষে সত্যের খুব কাছাকাছি আসায় তাঁকে মনে মনে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

এখনো মনে করি, মওদুদ যদি বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির অশুভ বলয়  (Salanix circle) থেকে বেরিয়ে আসতেন এবং দেশের রাজনীতির একজন নিরপেক্ষ বিশ্লেষক হতে পারতেন, তাহলে তিনি নিজের এবং দেশেরও মহাকল্যাণ করতে পারতেন। আমাদের সুধীসমাজের মধ্যে তাঁর চেয়ে বড় পণ্ডিত ও বিশ্লেষক আছেন; কিন্তু সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণে মওদুদ যতটুকু নির্মোহ ও সত্যান্বেষী মনোভাব দেখিয়েছেন, আমাদের সুধীসমাজের বেশির ভাগের মধ্যে সেটুকু আগ্রহ এবং সৎসাহসও দেখিনি। বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু এবং জাতির পিতা স্বীকার করতে ডান ও বামের বেশির ভাগ ‘সুশীলের’ সময় লেগেছে ৪০ বছর।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের রাজনৈতিক চরিত্রের অসততা সম্পর্কে অনেক কথা আমার জানা থাকা সত্ত্বেও তাঁর মুজিব ইরা সম্পর্কিত বইয়ের কিছু সৎ ও সঠিক রাজনৈতিক বিশ্লেষণের প্রশংসা করছি এ জন্যই যে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু এবং শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সবার অলক্ষ্যে যে  Hasina Era বা হাসিনা যুগ শুরু হয়েছে, এর স্থায়িত্ব ও সাফল্য আরো বড়। এটি আমাদের সুধীসমাজের অনেকের চোখে পড়েনি। আর চোখে পড়লেও তা এখনই স্বীকার করতে তাঁরা অরাজি। তাঁদের অনেকেই নিজেদের স্বার্থ-সুবিধার জন্য যেকোনো ক্ষমতাসীনের স্তাবকতা ও মোসাহেবি করতে পারেন; কিন্তু তাঁদের অপছন্দের কেউ যদি দেশ শাসনে যুগস্রষ্টা হয়ে যান, তাহলে তা স্বীকার করতে চান না।

মওদুদ আহমদ যদি দেশের অশুভ ও অসাধু রাজনীতির আবর্তে না পড়তেন, তাহলে মুজিব ইরার চেয়েও হাসিনা ইরা নিয়ে ভালো বিশ্লেষণাত্মক বই তিনি লিখতে পারতেন। দুর্ভাগ্যের বিষয়, সেই সুযোগ তাঁর এখনো থাকলেও তিনি এখন প্রিজনার অব জেন্ডা। এই রাজনৈতিক বন্দিদশা কাটিয়ে ওঠার সাহস ও শক্তি তিনি আবার অর্জন করবেন, তা আমার মনে হয় না।

বিদেশে, বিশেষ করে উন্নত পশ্চিমা দেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেধা, দূরদর্শিতা, রাজনৈতিক ও মানবিক অভিজ্ঞান যতটা স্বীকৃত ও প্রশংসিত তার কণামাত্র নিজের দেশে পাননি। বরং আমাদের এলিট ক্লাস ও সুধীসমাজের একটি বড় অংশই তাঁকে টেনে নিচে নামানোর চেষ্টা ও চক্রান্তে লিপ্ত। আওয়ামী লীগেরই এককালের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন জানেন, স্বৈরতন্ত্রী শাসন কাকে বলে! আর্জেন্টিনার ইসাবেলা পেরনের কথা তিনি জানেন, তাঁর নির্যাতনে আর্জেন্টিনার মানুষ যখন অতিষ্ঠ তখন গণবিদ্রোহে এই স্ব্বৈরিণীর পতন হয়েছিল। তাঁকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দেশের কোনো রাজনৈতিক দল ও বুদ্ধিজীবী ইসাবেলা পেরনের পাশে দাঁড়াননি। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ‘সোল এজেন্ট’ ড. কামাল হোসেন ইসাবেলার চেয়েও স্বৈরিণী খালেদা জিয়ার পক্ষে দাঁড়িয়ে হাসিনার শাসনকে স্বৈরশাসন আখ্যা দিয়েছেন। যে কামাল হোসেন আফগানিস্তানে মার্কিন তাঁবেদার প্রেসিডেন্ট কারজাইয়ের উপদেষ্টা হয়েছিলেন এবং তাঁর নির্বাচন কারসাজি মুখ বুজে হজম করেছেন, তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনে খুঁত ধরে হা-মাতম শুরু করেছেন। এটি শুধু রাজনৈতিক কারসাজি নয়, এটি ইত্তেফাকের প্রয়াত সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ভাষায় ‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফ্যাসিস্ট শক্তির পরাজয় এবং ইতালির মুসোলিনির হত্যাকাণ্ড, হিটলারের আত্মহত্যা এবং ন্যুরেমবার্গ বিচারে বেশির ভাগ ফ্যাসিস্ট নেতাকে ফাঁসি দেওয়ার পর ইউরোপে কিছু উদারপন্থী রাজনৈতিক নেতা ও বুদ্ধিজীবী এই যুদ্ধে মিত্রপক্ষ অনেক অন্যায় করেছে এবং যুদ্ধের নিয়ম-কানুন ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। এ সম্পর্কে বার্ট্রান্ড রাসেল বলেছিলেন, ‘মিত্রপক্ষ ও অক্ষশক্তির মধ্যে যুদ্ধে যদি মিত্রপক্ষ কোনো বড় রকমের অন্যায়ও করে থাকে, তাকে আমি সমর্থন করি। কারণ এই জয় গোটা মানবতাকে রক্ষা করেছে। এই যুদ্ধে মিত্রপক্ষের পরাজয়ের অর্থ হতো সারা বিশ্বে এক দীর্ঘ অভিশপ্ত অন্ধকার যুগের শুরু হওয়া।’

বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচনযুদ্ধে যদি কোনো অন্যায়, অবিচার হয়ে থাকে, তাহলে বার্ট্রান্ড রাসেলের ভাষা ধার করে বলতে চাই, এই অন্যায় বাংলাদেশে আওয়ামী মহাজোটের জয়লাভে কিছুটা যদি থাকে, তাহলেও এই জয় দরকার ছিল। আওয়ামী জোট যদি পরাজিত হতো, তাহলে অদ্ভুত এক উটের পিঠে বাংলাদেশ সওয়ার হতো। আফগানিস্তান ও সিরিয়ার মতো বাংলাদেশ কিলিং ফিল্ডে পরিণত হতো। কারজাই মার্কা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো বাংলাদেশে।

এটি যে হয়নি এ জন্য শেখ হাসিনার দুর্জয় সাহস, নেতৃত্ব গুণকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। দেশে তো প্রবীণ প্রাজ্ঞ, বড় বড় ডিগ্রিওয়ালা নেতা ছিলেন। বামপন্থী ও ডানপন্থী বড় বড় তাত্ত্বিক ছিলেন। কই কেউ তো দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে পারেননি। সূর্যের দায়িত্বটি নিয়ে সফল হলেন আকাশের সন্ধ্যাতারা শেখ হাসিনা। দেশকে স্বৈরাচার ও সন্ত্রাসমুক্ত করেছেন, তলাহীন ঝুড়ির অবিশ্বাস্য উন্নতি ঘটিয়েছেন। দুর্নীতি তিনি এখনো দূর করতে পারেননি। কিন্তু চতুর্থ দফা ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন। পৃথিবীর এই আদিম পাপটির উচ্ছেদ রাতারাতি সম্ভব নয়। বাংলাদেশের এই পাপ দমন যদি সম্ভব হয়, তাহলে হাসিনা সরকারের দ্বারাই সম্ভব হবে। এটি চাটুকারিতা নয়, বাস্তব সত্য।

বাংলাদেশে আর কোনো নেতার পক্ষে সম্ভব হতো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি দেওয়া? আর সব সাফল্য বাদ দিয়ে এই দুটি কাজের জন্যই তো হাসিনা ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ছোট উন্নয়নশীল দেশের নেতা হয়ে তিনি মাইটি আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেছেন, বিশ্বব্যাংকের হুমকির মোকাবেলা করেছেন। রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যায় বিশ্বব্যাপী প্রশংসা পেয়েছেন। নিজ দেশের দারিদ্র্য মোচন করেছেন। জলবায়ু নিয়ে বিশ্ব সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তালিকা করলে দেখা যাবে বিশ্বের সাম্প্রতিক সময়ের কোনো নেতা একসঙ্গে বহু সমস্যার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সফল হননি। হাসিনা হয়েছেন।

এ জন্য বিশ্বের অসংখ্য দেশ তাঁকে অসংখ্য পদক, পুরস্কার, খেতাব এবং অনারারি ডক্টরেট দিয়েছে, তাঁকে বলা হচ্ছে ‘মাদার অব আর্থ’। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কোনো তুলনা নেই। সম্প্রতি আমেরিকার বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফরেন পলিসি দশকের সেরা চিন্তাবিদদের তালিকায় শেখ হাসিনাকে স্থান দিয়েছে। পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিই, সত্তরের দশকে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ‘ফুড অ্যাজ এ উইপন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই ফরেন পলিসি পত্রিকাই বাংলাদেশে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে দুই লাখ মানুষ হত্যা দ্বারা বঙ্গবন্ধু সরকারের পতন ঘটানোর মার্কিন ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিয়েছিল।

বিশ্বের শান্তি স্থাপনে শেখ হাসিনার অনন্য ভূমিকার প্রশংসা করেছেন টনি ব্লেয়ার পর্যন্ত। নিল কিনোক তাঁকে দিয়েছেন শান্তি পদক। বিশ্বশান্তি পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন। নিজ দেশে পার্বত্য শান্তি চুক্তি, রোহিঙ্গা সমস্যায় শান্তিপূর্ণ মীমাংসায় দৃঢ় অবস্থান, ভারতের সঙ্গে বড় বড় বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও মৈত্রী সম্পর্ক দৃঢ় করার জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার কথা উঠেছিল। পাননি ক্লিনটন পরিবারের জন্য। তাঁরা দেশে বা বিদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যাঁর বিন্দুমাত্র অবদান নেই, তেমন এক ব্যাংক ব্যবসায়ীকে এই পুরস্কার দিয়েছেন।

বাংলাদেশে হাসিনার শাসনকালকে ভবিষ্যতের ইতিহাস Hasina Era বা হাসিনা যুগ বলে উল্লেখ করবে, তাতে আমার সন্দেহ নেই। প্রাচীনকাল থেকে অখণ্ড বাংলাদেশ যে কয়টি যুগে বিভক্ত, তার মধ্যে ‘হাসিনা যুগ’ একটি এবং তাঁর সাফল্য অনেক বেশি। শায়েস্তা খানের আমল ছিল টাকায় এক মণ চাল কিনতে পাওয়ার জন্য (সস্তায় পর্যাপ্ত জিনিসপত্র পাওয়া) বিখ্যাত। আলীবর্দীর যুগ ছিল বর্গি দমন এবং ভাস্কর পণ্ডিত নামে এক ডাকাতদলের সর্দারকে হত্যা করে সুবে বাংলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য খ্যাত। ব্রিটিশ আমলে ফজলুল হকের যুগ বা Era of Haq Shahib ছিল কৃষক প্রজার অধিকার প্রতিষ্ঠা, জমিদারদের পীড়ন থেকে তাদের রক্ষা, কৃষক প্রজা আন্দোলনের সূচনা এবং সাধারণ ও নারী শিক্ষা বিস্তারের যুগ।

মুজিব যুগের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন। অসাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠা এবং সারা বিশ্বে বাঙালি নেশনহুডের স্বীকৃতি। সর্বশেষ হাসিনা যুগ। সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুগ। মুজিব যুগে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র এ যুগে সংহত ও সুরক্ষিত হয়েছে। ধর্মান্ধ পরাশক্তি পরাজিত হয়েছে। দেশটির অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটেছে। নারীর বন্ধনমুক্তি ও ক্ষমতায়ন ঘটেছে। সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও হিংস্র মৌলবাদের বিরুদ্ধে সব প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে।

তালিকা বড় করতে চাই না। আমি গর্বিত মুজিব এবং হাসিনা—এই দুটি যুগই আমি দেখে গেলাম।

লন্ডন, সোমবার ২৮ জানুয়ারি ২০১৯

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food