পরিবারের বন্ধন অটুট রাখাই আগামী শতকের চ্যালেঞ্জ

  কাজী বর্ণ উত্তম

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:২৪ | অনলাইন সংস্করণ

পরিবারের বন্ধন অটুট রাখাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আজ আপনার মনে হতে পারে এটা কোনো ব্যাপার হলো। কিন্তু একটু মনোযোগ সহকারে আপনার চারপাশে খেয়াল করুন, গত ২০-৩০ বছর আগে হয়তো আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না। কিন্তু পারিবারিক বন্ধনের দৃঢ়তা ছিল, আন্তরিকতা ছিল, ছিল প্রাণ, ছিল একের প্রতি অন্যের অসীম টান। আজ হয়তো আর্থিক স্বচ্ছলতা অনেক গুণ বেড়েছে। কিন্তু সেই প্রাণের স্পন্দন কোথায় যেন মলিন হয়ে গেছে; ফিকে হয়ে গেছে আন্তরিকতা।

বর্তমানে যৌথ পরিবার ভেঙে যাচ্ছে কী কারণে-
১. মানুষের মধ্যে মূল্যবোধের অবক্ষয়;
২. মেয়েদের কর্মমুখী হয়ে পড়া;
৩. চাকরি ও ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার জন্য শহরে ভিড় জমানো;
৪. পারিবারিক কলহ;
৫. শিক্ষার অভাব;
৬. জায়গার অভাব;
৭. পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ;
৮. আত্মকেন্দ্রিক প্রবণতা বৃদ্ধি ও
৯. সুযোগ-সুবিধা যৌথ পরিবারে কম এবং কোলাহলপূর্ণ বলে।

আশির দশকে আজকের মতো অনেক চ্যানেল ছিল না। তখন বিটিভি’তে ‘ডালাস’ নামে একটা ইংরেজি সিরিয়াল বেশ জনপ্রিয় ছিল। ডালাসে আমরা দেখতে পেতাম কীভাবে পাশ্চাত্যের পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন আমার মনে হতো পশ্চিমাদের থেকে আমরা পারিবারিক বন্ধনে এগিয়ে। বর্তমানে আমাদের পরিবারের বন্ধন কি আগের মতো অটুট আছে? যশোরের মহিলা পরিষদের এক নেত্রী তার ফেসবুক ওয়ালে অনেকগুলো অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। সেখান থেকে আপনাদের জানাতে চাই, তিনি লিখেছেন- “... সমাজকে লুকাতে চেয়েছি, আমার নির্যাতনের কথা, কিন্তু আর পারছি না। সোমবার আমরা সবাই অফিসে বসে সাংগঠনিক কাজ করছিলাম, হঠাৎ একজন ভদ্রমহিলা এসে সালাম দিলেন, বৌদি ওনাকে বসতে বললেন।

ভদ্রমহিলাকে আমি দেখে মনে করেছিলাম আমাদের নতুন সদস্য হতে এসেছেন। কি যে সুন্দর দেখতে! গুছিয়ে কথা বলছেন, পর্দানসীন। তাকে যতটুকু দেখেছি তাতে আমার মনে হয়েছে তিনি ভদ্রঘরের একজন মার্জিত মহিলা। তিনি ঠিক এভাবে শুরু করলেন- সমাজকে যতটুকু লুকাতে চেয়েছি আমার নির্যাতনের কথা, কিন্তু আর পারছি না। আমার স্বামী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। মাসিক আয় এক লক্ষ টাকা। সংসারে আমাদের দুটি সন্তান আছে। ভালোভাবে খরচ দিতে চান না, বাসায় বাজারও করেন না। আমরা ভাড়া বাসায় আছি। আমার স্বামী দেখতে খুব সুন্দর। তাকে যশোরের অনেকেই চেনেন, আপনিও চিনেন। আমার বিয়ের পর থেকেই কেমন যেন করেন। কারণ ছাড়াই যে কোনো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করতেন। আমি প্রতিবাদ করলেই আমাকে ধরে মারতেন। এমনভাবে মারতেন বাথরুমে নিয়ে যে আমার কান্নার শব্দ বাইরে না যায়। আমার মাথা ঠেসে রাখতেন বাথরুমের মেঝেতে, তখন আমরা চারতলা বাসায় থাকতাম। তিনতলার বাসার ভাই বাথরুমের পাইপের ভেতর থেকে আমার কান্নাকাটি চিৎকারের শব্দ শুনতে পান, ভাবীসহ সবাই দরজার সামনে এসে বেল বাজান। তখন আমাকে ছেড়ে দেয়; তা না হলে ঐ দিনই আমি মারা যেতাম। আমাকে এমনভাবে মেরেছিল, আমার চোখ ফুলে রক্ত জমে গিয়েছিল। আমি এক মাস বাইরে যাইনি- সবাই জেনে যাবে সেই ভয়ে। এখনও আমাকে মারেন কখনও ঝাটা দিয়ে অথবা সামনে যা পায় তাই দিয়ে। আমার সন্তানদের সামনেই মারেন। আমার কথায় একটু লাউড আছে, তাই না আপা। কিন্তু আমি তো খারাপ কথা বলি না। আমার শারীরিক কোনো সমস্যা নাই, তবুও তিনি দুই-তিন মাস আলাদা বিছানা করে আলাদা ঘরে ঘুমান। আমি এখন এমন হয়ে গেছি যে, ওর ভয়ে ঘরে ছিটকিনি দিয়ে ঘুমাই। কখনও যদি আমাকে রাতে মেরে ফেলে।”

“... আমরা জানতে চেয়েছিলাম আপনি এখন কী করতে চান- ভদ্রমহিলা উত্তর দিলেন, তার সংসারে থেকে আমি কিছুই পাব না। এখন আমি বাঁচতে চাই, বয়স হয়েছে এখন আর মার খেয়ে সহ্য করতে পারি না। খুব কষ্ট হয়।”

“... আমরা খোঁজ নিয়েছি তার স্বামীর। যেখানে উনি আগে চাকরি করতেন- ওনারা বলেছেন লোকটি খুবই খারাপ এবং তার পরকীয়ার কথাও আমরা জানতে পেরেছি। দেখা যাক কী হয়।”

ঘটনাটি ১৭ অক্টোবর ২০১৬ সালে। স্টিভ জবস যখন মারা যান তখন অ্যাপেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা ছিল ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। টেকনোলজির এই রাজপুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একেবারে অন্তিম মুহূর্তে জীবন সম্পর্কে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন- যা জাপানি, চায়নিজ, হিন্দি, উর্দু, আরবি, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, রুশসহ প্রায় ১৮টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। শুধু তাই নয়- শিশুদের মানসিক উৎকর্ষতা বিধান এবং তাদের সুন্দর মনন গঠনের লক্ষ্যে একাধিক ভাষায় স্টিভ জবসের এই অমর কথাগুলোসহ তার জীবনী বিভিন্ন দেশের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কথাগুলো নিম্নরূপ-

“বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহণ করেছি। যা আপনাদের কাছে সাফল্যের এক অনুপম দৃষ্টান্ত। কিন্তু এ কথা ধ্রুব সত্য কাজের বাইরে আমার সামান্যই আনন্দ ছিল। সম্পদের প্রলোভনে বিভোর ছিলাম সারাজীবন। আজ মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে দেখি- তখন আমার মনে হয়, আমার সব সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই মøান, তুচ্ছ আর অর্থহীন। অ্যাপলের বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রণে ছিল- কিন্তু মৃত্যু আজ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তি কবরের বিছানায় শুয়ে আছে সেটা আদৌ কোনো বড় ব্যাপার না। প্রতিরাতে নিজের বিছানায় শোয়ার আগে আমি কী করলাম- সেটাই আসল ব্যাপার। অন্ধকার রাতে জীবনরক্ষাকারী মেশিনের সবুজ বাতিগুলোর দিকে চেয়ে আমার বুকের গহীনে হাহাকার করে ওঠে। মেশিনের শব্দের ভিতরে আমি নিকটবর্তী মৃত্যু দেবতার নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারি। অনুধাবন করতে পারি- শুধু সম্পদ না, সম্পদের সাথে সম্পর্কহীন জিনিসেরও মানুষের অন্বেষণ করা উচিত। বেকুবের মতো সম্পদ আহরণই সবকিছু নয়- আরও অনেক কিছু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আর তা হলো- মানুষের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করা, সুন্দর উপলব্ধি করা আর তারুণ্যে একটি সুন্দর স্বপ্ন নিজের হৃদয়ে লালন করা। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটলেই মানুষ আমার মতো এক ভ্রান্ত মানুষে পরিণত হতে পারে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবার হৃদয়ে ভালোবাসা অনুভব করার জ্ঞান দিয়েছেন। কেবলমাত্র এই নশ^র দুনিয়ায় সম্পদের মোহে জড়িয়ে পড়ার জন্য নয়। এই যে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে আছি। কই, সব সম্পদ তো এই বিছানায় নিয়ে আসতে পারিনি। শুধু আজ সাথে আছে ভালোবাসা, প্রেম, মায়া, মমতার স্বস্তিগুলোই। এগুলোই শুধু সাথে থেকে সাহস জোগাবে, আলোর পথ দেখাবে। ভালোবাসা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে আছে- সম্পদ না খুঁজে ভালোবাসাও খুঁজে নিতে হয়। সম্পদ কভু শান্তি আনে না। মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর ভালোবাসাই শান্তি আনে।

পৃথিবীটাকে দেখ। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটে হাহাকার করলে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে না...। পৃথিবীতে সবচেয়ে দামি বিছানা কী জানেন? তা হলো- হাসপাতালের মৃত্যশয্যা। আপনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি একজন গাড়িচালক রাখতে পারেন। আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার জন্য অনেক টাকাই আয় করে দেবে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য- গোটা পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে। বৈষয়িক যে কোনো জিনিস হারালে আপনি পাবেন। কিন্তু একটা জিনিস হারালে আর পাওয়া যায় না, তা হলো মানুষের জীবন। মানুষ যখন অপারেশন থিয়েটারে যায় তখন সে কেবলই অনুধাবণ করে- কেন জীবনের মূল্যটা আগে বুঝিনি! জীবনের যে স্টেজেই আপনি আজ থাকুন না কেন- মৃত্যু পর্দা আপনার জীবনের সামনে হাজির হবেই। সাঙ্গ হবে জীবন। তাই এই নশ^র জীবনের পরিসমাপ্তির আগে পরিবারের জন্য, আপনজনের জন্য, বন্ধুদের জন্য হৃদয়ে সবসময় ভালোবাসা রাখুন। নিজের জীবনটাকে ভালোবাসুন। ঠিক নিজের মতো করে অন্যকেও ভালোবাসুন।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘মানুষের ধর্ম’ গ্রন্থে লিখেছেন-

“মানুষের আলো জ্বালায় তার আত্মা, তখন ছোট হয়ে যায় তার সঞ্চয়ের অহঙ্কার। জ্ঞানে-প্রেমে-ভাবে বিশে^র মধ্যে ব্যাপ্তি দ্বারাই স্বার্থক হয় সেই আত্মা। মানুষের একটা দিক আছে যেখানে বিষয়বুদ্ধি নিয়ে সে আপন সিদ্ধি খোঁজে। সেখানে আপন ব্যক্তিগত জীবনযাত্রা নির্বাহে তার জ্ঞান, তার কর্ম, তার রচনাশক্তি একান্ত ব্যাপৃত। সেখানে সে জীব রূপে বাঁচতে চায়। কিন্তু মানুষের আর-একটা দিক আছে যা এই ব্যক্তিগত বৈষয়িকতার বাইরে। সেখানে জীবনযাত্রার আদর্শে যাকে বলি ক্ষতি তাই লাভ, যাকে বলি মৃত্যু সেই অমরতা। সেখানে বর্তমান কালের জন্যে বস্তু সংগ্রহ করার চেয়ে অনিশ্চিত কালের উদ্দেশে আত্মত্যাগ করার মূল্য বেশি। সেখানে জ্ঞান উপস্থিত- প্রয়োজনের সীমা পেরিয়ে যায়, কর্ম স্বার্থের প্রবর্তনাকে অস্বীকার করে। সেখানে আপন স্বতন্ত্র জীবনের চেয়ে যে বড় জীবন সেই জীবনে মানুষ বাঁচতে চায়।

স্বার্থ আমাদের যেসব প্রয়াসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায়, তার মূল প্রেরণা দেখি জীব প্রকৃতিতে; যা আমাদের ত্যাগের দিকে, তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব, মানুষের ধর্ম। কোন্ মানুষের ধর্ম। এতে কার পাই পরিচয়। এ তো সাধারণ মানুষের ধর্ম নয়, তা হলে এর জন্যে সাধনা করতে হতো না। আমাদের অন্তরে এমন কে আছেন যিনি মানব অথচ যিনি ব্যক্তিগত মানবকে অতিক্রম করে ‘সদা জনানাং’ হৃদয়ে সন্নিবিষ্ট। তিনি সর্বজনীন সর্বকালীন মানব। তারই আকর্ষণে মানুষের চিন্তায় ভাবে কর্মে সর্বজনীনতার আবির্ভাব। মহাত্মারা সহজে তাকে অনুভব করেন সকল মানুষের মধ্যে, তার প্রেমে সহজে জীবন উৎসর্গ করেন। সেই মানুষের উপলব্ধিতেই মানুষ আপন জীবসীমা অতিক্রম করে মানবসীমায় উত্তীর্ণ হয়। সেই মানুষের উপলব্ধি সর্বত্র সমান নয় ও অনেক স্থলে বিকৃত বলেই সব মানুষ আজও মানুষ হয়নি।”

মানুষ জন্ম থেকেই কোনো কিছু শিখে আসে না। জন্মের পর বাচ্চাদের মন একটা খালি সাদা কাগজের মতো থাকে। সমাজের এবং পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষ থেকেই শিশুর প্রাথমিক চারিত্রিক গঠন তৈরি হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, মানুষের চারিত্রিক গঠনে পরিবারের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি।

মানুষের চরিত্র গঠনে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ শিশুকাল থেকেই পরিবার হতে শিক্ষা লাভ করে। এই শিক্ষার ভিত্তিতে তার মধ্যে ন্যায়-নীতি, মূল্যবোধ ইত্যাদি জাগ্রত হয়। এবং তা তার আচরণে প্রভাব বিস্তার করে। ফলে তার চরিত্র কেমন হবে তা তার পরিবারের গুরুত্ব অসীম।

পরিবারের পাশাপাশি সমাজের, রাষ্ট্রের ভূমিকাও জরুরি। গেজেডনির্ভর শিশু তার মনন জগতে ক্রমশ একা হয়ে উঠছে। পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, সংস্কৃতি চর্চা, ধর্মীয় শিক্ষা শিশুর মনন জগতকে জাগ্রত করে। যা আজ বড়ই অভাব। এখনই সময় ধর্মের সাথে সংস্কৃতির নোংরা লড়াই বন্ধ করা। সব ধর্মের সুন্দর সহ-অবস্থান, বাঙালি হিসেবে তার হাজার বছরের সংস্কৃতিচর্চা আরও বৃদ্ধি করা, তা শুরু হোক সব স্কুলে, সব পাড়া-মহল্লায়।

গেজেড যেমন আপনাকে পৃথিবীর কাছে নিয়ে যাচ্ছে। তেমনি নিজের ঘরে বসে স্বামী-স্ত্রী কিংবা ছেলে-মেয়ের সাথে সম্পর্কে আঘাত হানছে। এখনই এ বিষয়ে সচেতন হতে না পারলে এই গেজেডই পরিবার ধ্বংসের আরও একটি কারণ হবে।

বিয়ে না করেও দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে একসাথে থাকতে পারবে, রায় ভারতের সুপ্রিমকোর্টের। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা আমাদের ধর্ম এবং সংস্কৃতির পরিপন্থী এবং পরিবার গঠনের অন্তরায়। পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ।

রাষ্ট্র যারা পরিচালনা করছেন, সমাজ যারা পরিচালনা করছেন- সবার সমন্বিত প্রয়াস ও পরিকল্পনা প্রয়োজন, যাতে পরিবারের বন্ধন অটুট রেখে সারাদেশকেই একটি পরিবারে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

লেখক : প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক কর্মী

এই বিভাগের আরো সংবাদ