ঈদে বৈশাখী টেলিভিশনে ১৮টি নাটক ও ৭ সিনেমাসহ নানা আয়োজন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ মে ২০১৯, ১৬:১১

ঈদুল-ফিতর উপলক্ষে বৈশাখী টেলিভিশনের আয়োজনে থাকছে ১৮ নাটক ও ৭টি সিনেমাসহ নানা অনুষ্ঠান। নাটকগুলোর মধ্যে ৭টি একক, ৭টি মেগা এবং ৪টি বিশেষ ধারাবাহিক।

ঈদের বিশেষ একক নাটকগলোর মধ্যে টিপু আলম মিলনের  গল্পে আকাশ রঞ্জন পরিচালনা করেছেন ‘ভাবীর দোকান’ এবং ‘বরিশাল টু ঢাকা’ জিয়াউর রহমান জিয়া।  সকাল আহমেদ পরিচালনা করেছেন ‘মন্টু মিয়ার মটর সাইকেল’, সিদ্দিকুর রহমান ‘মেইড ইন ফরেন-৪’, মিলন ভট্ট ‘লেডিস সু’, সাদেক সিদ্দিকী ‘বউ বাধ্য পাত্র চাই’ এবং মহিন খান ‘জ্যোতিষ জাফর’।

ঈদের ৭টি বিশেষ ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে বেশ কয়েকটি আবার গতবারের সিক্যুয়াল। নাটকগুলো হলো  এস এম শাহীন পরিচালিত ‘আয়না মতি’, হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘নায়িকার বিয়ে-২’, ফরিদুল হাসান পরিচালিত ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন-২’ এবং টিপু আলম মিলনের গল্পে সকাল আহমেদ পরিচালনা করেছেন ‘ঈদ বোনাস’।

প্রতিদিনর ৭টি মেগা নাটক হলো, ‘খোকা কঞ্জুস’, ‘হাইপ্রেসার’-২, ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’, ‘নায়িকার বিয়ে’, ‘কিড সোলায়মান-২’, ‘মিস আমলাপাড়া’ ও ‘চশমা পরিবার’। এসব নাটকে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় সব তারকা।

তাদের মধ্যে মোশাররফ করিম, আনিকা কবির শখ, জাহিদ হাসান, ছন্দা ফরিদা, ইশানা, চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা,  মীর সাব্বির, নাজিরা মৌ,  রওনক হাসান, ফারজানা ছবি, সাজু খাদেম, পপি, হাসান জাহাঙ্গীর, এটিএম শামসুজ্জামান, জাকিয়া বারী মম, আনিসুর রহমান মিলন, ঈরেশ যাকের, তানিয়া বৃষ্টি, আবদুল্লাহ রানা, মৌসুমী হামিদ, আ খ ম হাসান, সিদ্দিকুর রহমান, টিনা জুঁই, রাশেদ সীমান্ত, অহনা, জামিল, নায়ক সম্রাট, বিন্দিয়া অন্যতম।

আরো অভিনয় করেছেন আল মনসুর, স্বাগতা, চিত্রলেখা গুহ, আমিরুল হক চৌধুরী, শবনম পারভিন, মিলন ভট্ট, শেলি আহসান, শফিক খান দিলু, শিখা, সঞ্জিৎ, রিমি করিম, আকাশ রঞ্জন, শায়লা, হায়দার আলী,বড়দা মিঠু প্রমুখ।

ঈদ আয়োজনে ৭টি বাংলা সিনেমা হলো- মন যেখানে হৃদয় সেখানে, স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ, সন্তান আমার অহঙ্কার, আব্বাজান, মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি, শুভ বিবাহ ও আমি জেল থেকে বলছি। এছাড়াও থাকছে বৈশাখীর সকালের গান, গানে গানে ঈদ আনন্দ, প্রিয় শিল্পীর সেরা গান, শুধু সিনেমার গান, ফানি মোমেন্ট ও নৃত্যানুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন।

ঈদ অনুষ্ঠান নিয়ে বলতে গিয়ে বৈশাখী টিভির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশীয় সংস্কৃতির কথা চিন্তা করে প্রতি ঈদেই বৈশাখী টেলিভিশন তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে অনুষ্ঠান সাজিয়ে থাকে। এবারও তার ব্যত্যয় হবে না সে কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারি। এ ধারা অব্যাহত রাখতে চাই আগামীতেও । কারণ, আমাদের মূল লক্ষই হচ্ছে দর্শকদের বিনোদন ও আনন্দ দেওয়া।’

 

এবিএন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ